বিজ্ঞাপন

ড্র করে ডাচদের সঙ্গে নকআউটে জাপান-সুইডেন

আগের দিন স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে ব্রাজিল সি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছিল। আগামী ২৯ জুন তাদের প্রতিপক্ষ কে হবে, সেটা জানার অপেক্ষায় ছিল তারা। আজ জাপান-সুইডেন ম্যাচ ড্র হওয়ার পর জানা গেল কাদের মুখোমুখি হচ্ছে সেলেসাওরা। জাপানের সঙ্গে শেষ ৩২ এ লড়বে ব্রাজিল। আর নেদারল্যান্ডস লড়বে সি গ্রুপের রানার্সআপ মরক্কোর সঙ্গে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের আর্লিংটনে সুইডেন ও জাপানের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। তাতে দুই দলই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে। নেদারল্যান্ডস তিউনিসিয়াকে হারিয়েছে ৩-১ গোলে। এফ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ডাচরা শেষ ৩২ এ। আর তাদের পেছনে থেকে গ্রুপ পর্ব পার করল জাপান। সুইডেন সেরা আট তৃতীয় দলের একটি হয়ে নকআউটে।

ডাইজেন মায়েদা জাপানকে লিড এনে দেন। ছয় মিনিট পর অ্যান্থনি এলাঙ্গার গোলে সমতা ফেরায় সুইডেন। ৬২তম মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে ডান কোণা থেকে বাঁ পায়ের দারুণ স্ট্রাইকে জাল কাঁপান এলাঙ্গা। এই বছরের টুর্নামেন্টে এটি তার দ্বিতীয় গোল। নিউক্যাসেলের হয়ে ৪৯ ম্যাচে মাত্র ৩ গোল করেছিলেন তিনি, কিন্তু ৩২ প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে তার গোল ছিল শূন্য।

এর ছয় মিনিট আগে রিতসু দোয়ানের পাস পেনাল্টি অঞ্চলে বাঁ পায়ে নিয়ন্ত্রণ করেন মায়েদা। তারপর ডান পায়ের শটে সহজেই জ্যাকব উইডেল জেত্তারস্ট্রোমকে পরাস্ত করেন।

এটি ছিল টুর্নামেন্টে জাপানের সপ্তম গোল, এক বিশ্বকাপে দেশটির সর্বোচ্চ। রাশিয়ায় আট বছর আগে শেষ ষোলোতে ওঠার পথে জাপানের ছয় গোলের রেকর্ড ভাঙল তারা।

এনিয়ে টানা তৃতীয় বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে নকআউটে উঠল জাপান। সব মিলিয়ে পঞ্চমবার। ২০০২ সালে যৌথ আয়োজক হিসেবে প্রথমবার তারা শেষ ষোলো খেলেছিল।

১৯৯৪ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলা সুইডেন এনিয়ে টানা তৃতীয়বার নকআউট রাউন্ডে। প্রথম আসরে তারা এই যুক্তরাষ্ট্রেই সেমিফাইনাল খেলেছিল।

ইনজুরি টাইমে এলাঙ্গা আরেকটি সুযোগ পান। তার ডান পায়ের প্রচেষ্টা ডাইভ করে ঠেকান গোলকিপার জিওন সুজুকি। পরের কর্নার থেকে আলেক্সান্ডার আইজাকের হেড বিপদমুক্ত করেন সুজুকি। তাতে সুইডেনের শেষ গোলের সুযোগ নষ্ট হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন