পাঁচ বছর পর জিম্বাবুয়েতে টেস্ট খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। একমাত্র টেস্ট ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়েছে টাইগাররা।
হারারেতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে এক স্পিনার ও তিন পেসার নিয়ে বোলিং আক্রমণ সাজিয়েছে বাংলাদেশ। এ ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের ১১০তম ও ১১১তম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হচ্ছে দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার তাওহীদ হৃদয় ও আমিত হাসানের।
২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছিলেন তাওহীদ। তবে সেবার ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি।
অবশেষে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশের সবচেয়ে ধারাবাহিক ব্যাটারদের একজনের অভিষেক হচ্ছে টেস্ট ক্রিকেটে। ১৬টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তাওহীদের রান ৯৮৩। রয়েছে ৩টি সেঞ্চুরি ও ৪টি হাফসেঞ্চুরি।
অন্যদিকে, সর্বশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে প্রথমবারের মতো স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছিলেন আমিত। যদিও দুই টেস্টেই দলের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগ করলেও মাঠে নামার সুযোগ হয়নি। অবশেষে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হলো এই উইকেটকিপার ব্যাটারের। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কারই পেলেন তিনি। ৪৯টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ১১টি সেঞ্চুরি ও ১৭টি হাফসেঞ্চুরি করেছেন আমিত। দীর্ঘ সংস্করণে তাঁর সর্বোচ্চ ইনিংস ২১৩ রান। লিটন দাস দলে না থাকায় উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্বও পালন করবেন তিনি।
এছাড়া স্পিন আক্রমণে অধিনায়ক ভরসা রেখেছেন তাইজুল ইসলামের উপর। পেস বোলিংয়ে আছেন খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন, হাসান মাহমুদ। সবমিলিয়ে সাত ব্যাটার ও চার বোলিং নিয়ে একাদশ সাজানো হয়েছে।
দুই দলের ২০টি টেস্টের লড়াইয়ে বাংলাদেশ জিতেছে ৯টি, জিম্বাবুয়ে ৮টি এবং ৩টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পাল্লা স্পষ্টভাবেই বাংলাদেশের দিকে। সবশেষ পাঁচ টেস্টের চারটিতেই জয় পেয়েছে টাইগাররা। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে হারারে থেকে আরেকটি জয় নিয়েই ফিরতে চাইবে শান্তর দল।
বাংলাদেশ একাদশ: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান, মমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, তাইজুল ইসলাম, খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন, হাসান মাহমুদ, তাওহীদ হৃদয় ও আমিত হাসান।
জিম্বাবুয়ে একাদশ: রিচার্ড এনগারাভা (অধিনায়ক), ব্রায়ান বেনেট, বেন কারান, ক্রেগ আরভিন, ব্র্যাড ইভান্স, ইনোসেন্ট কাইয়া, ওয়েসলি মাধেভেরে, ব্লেসিং মুজারাবানি, নিউম্যান নিয়ামহুরি, ব্রেন্ডন টেলর ও তাফাদজোয়া সিগা।


