বিজ্ঞাপন

বন্দরে হানিট্রাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ওমেটিভে (OmeTV) পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে এক শিক্ষার্থীকে নির্জন স্থানে নিয়ে ছিনতাই ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে একটি চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গত ২৪ জুন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সাইদুল ইসলাম (২৩) বন্দর থানায় অভিযোগের পর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে বন্দর থানা পুলিশ। তদন্তের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার(৩০জুন) রাতে এসআই সাব্বির আহমেদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেন।

পুলিশ জানায়, প্রথমে একরামপুর পৌরসভা এলাকার একটি ভাড়া বাসার দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে মো. কাওসার (২০), মো. রবিন (২২), এবং সন্দেহভাজন আরিফ ও রাব্বিকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই এলাকার কদমরসুল মাঠপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে রনি কাজী (২২), সাকিব (২৫) ও শান্ত (২৩)-কে গ্রেফতার করা হয়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ভুক্তভোগী সাইদুল ইসলাম ঢাকার ভাষানটেক এলাকার বাসিন্দা এবং তিনি ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (IUB) বিবিএ বিভাগের ৭ম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম OmeTV-এর মাধ্যমে আরফা তানিয়া (২২) নামের এক তরুণীর সঙ্গে তার পরিচয় ও পরবর্তীতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৮ মে তানিয়ার ডাকে বন্দর উপজেলার কদমরসুল কলেজ এলাকায় গেলে তাকে একটি ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নগদ ২০ হাজার ৮০০ টাকা, একটি আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্স (আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৪১ হাজার টাকা) ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া তার বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা উত্তোলন ও স্থানান্তর করা হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। মুক্তিপণ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয় এবং পরে নবীগঞ্জ ঘাট এলাকায় ফেলে রেখে চলে যায়।

ভুক্তভোগী পরবর্তীতে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্তদের পরিচয় শনাক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা নং-২(৭)২৬ ইং দায়ের করা হয়েছে। এবিষয়ে বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জামাল উদ্দিন  জানিয়েছে, গত ২৪ জুন শিক্ষার্থী সাইদুর ইসলামের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালায় বন্দর থানা পুলিশ,তথ্য প্রযুক্তির সহয়তায় তাদের বন্দরের একরামপুর ও কদম রসুল এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এবং এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে তৎপর রয়েছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আট বছরেও মেলেনি স্থায়ী ক্যাম্পাস, নেত্রকোনায় ক্ষুব্ধ নাগরিকদের মানববন্ধন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন