বিজ্ঞাপন

সালমান খানের মামলায় নতুন তথ্য

বলিউড অভিনেতা সালমান খানের করা মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। দিল্লি হাইকোর্টে সিনেমার নির্মাতারা জানিয়েছেন, ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাল’ এখনও ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) কাছে সেন্সরের জন্য জমা দেয়া হয়নি। ফলে এখনই সিনেমাটি মুক্তির কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

বিজ্ঞাপন

হিন্দুস্তান টাইমস থেকে জানা যায় বুধবার (০১ জুলাই) শুনানিতে সালমান খানের আইনজীবীরা দাবি করেন, সিনেমাটি দ্রুত মুক্তি পেতে পারে। তাই অবিলম্বে মুক্তিতে স্থগিতাদেশ প্রয়োজন। জবাবে নির্মাতাদের আইনজীবী বলেন, সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র ছাড়া কোনও চলচ্চিত্র মুক্তি দেয়া যায় না। এমনকি সিনেমাটি এখনও সিবিএফসির কাছেও পাঠানো হয়নি। আগামী সোমবারের (৬ জুলাই) আগে সেটি জমা দেয়ারও কোনও পরিকল্পনা নেই বলে আদালতকে জানান তারা।

গত জুন মাসে ‘কালা হিরণ’-এর পোস্টার ও ট্রেলার প্রকাশের পর দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সালমান খান। তার অভিযোগ, সিনেমাটি তার বহুল আলোচিত কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করছে এবং এতে তার ব্যক্তিত্বের অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। আবেদনে সালমান দাবি করেন, ২৯ মে প্রকাশিত সিনেমার পোস্টারে এমন একটি চরিত্র দেখানো হয়েছে, যার চেহারা ও উপস্থাপনা স্পষ্টভাবে তার সঙ্গে মিলে যায়। চরিত্রটির হাতে বন্দুক এবং হাতে সালমানের পরিচিত ব্রেসলেটের মতো একটি ব্রেসলেটও দেখা যায়। সালমান খান জানান, এতে দর্শকদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে এবং তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। সালমান আরও উল্লেখ করেন, অস্ত্র আইনের মামলায় তিনি আগেই খালাস পেয়েছেন। অথচ পোস্টারে বন্দুক হাতে তার মতো দেখতে চরিত্র দেখিয়ে ভুল বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

মামলায় সালমানের অভিযোগ, নির্মাতারা ইচ্ছাকৃতভাবে পুরোনো শিকার মামলাকে চাঞ্চল্যকরভাবে উপস্থাপন করে প্রচারের আলো কুড়াতে চাইছেন। এর ফলে তার সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগেও নিজের নাম, ছবি ও ব্যক্তিত্বের অননুমোদিত ব্যবহার ঠেকাতে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সালমান খান।

পড়ুন : রিমান্ড শেষে অভিনেতা আলভী কারাগারে

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন