বিজ্ঞাপন

ইভটিজিংয়ে বাঁধা দেওয়ায় চাচা-ভাতিজার ওপর হামলাআসামীদের গ্রেপ্তার দাবীতে সিরাজগঞ্জে মানববন্ধন

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মেয়েকে কু-প্রস্তাব ও ইভটিজিংয়ে বাঁধা দেওয়ায় চাচা-ভাতিজাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যাচেষ্টা করেছে বখাটেরা। এ ঘটনায় আহতদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণসহ আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও গ্রেপ্তারের দাবীতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শরীফ সলঙ্গা গ্রাম থেকে শুরু হওয়া মানববন্ধন ও পদযাত্রা সলঙ্গা-নিমগাছি সড়ক প্রদক্ষিণ করে সলঙ্গা থানা মাঠে গিয়ে শেষ হয়। মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ৫ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন, সলঙ্গার থানার শরীফ সলঙ্গা নূরুল ইসলামের মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক মাস্টারের ছেলে বখাটে শাকিল কু-প্রস্তাবসহ বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করে আসছিল। বিষয়টি শাকিলের বাবা আব্দুর রাজ্জাককে জানালে বখাটে শাকিল ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর বাহিনীর সদস্যদের সংঘবদ্ধ করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এতে নূরুল ইসলামের ছোট ভাই আলমাছ ও ছেলে মাওলানা আশরাফুল ইসলাম তাদের বাঁধা দিতে গেলে ছুরিকাঘাতের শিকার হন। এক পর্যায়ে মেয়ের ভাই আশরাফুলকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয়। তাদের আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে গুরুতর আহতদের প্রথমে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় আশরাফুল ইসলামের ফুসফুসে গুরুতর আঘাতের বিষয়টি ধরা পড়ে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নূরুল ইসলাম বাদী হয়ে বখাটে শাকিল, তার পিতা আব্দুর রাজ্জাক মাস্টার, মো. সৈকতসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫ জনকে অভিযুক্ত করে সলঙ্গায় থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা

পড়ুন:গোয়াইনঘাটে নকলমুক্ত ও শান্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু: প্রথম দিনে অনুপস্থিত ১৭

দেখুন:ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলায় স্বাস্থ্য সংকটের আশঙ্কা |

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন