বিজ্ঞাপন

ত্রিশালে মাদকাসক্ত ছেলের নির্যাতনে অতিষ্ঠ বৃদ্ধ বাবা-মা, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মাসের কারাদন্ড

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় মাদক সেবন করে দীর্ঘদিন ধরে বৃদ্ধ বাবা-মার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগে এক যুবককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।
শনিবার ত্রিশাল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমান এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আকরামুল ইসলাম (৩৪) উপজেলার সাাখুয়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের বিবিধ ৫১/২৬ নম্বর মামলায় মাদক সেবন করে মারধরের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় আকরামুল ইসলামকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়। আদালতের পরোয়ানা অনুযায়ী তাকে ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, আকরামুল ইসলামের ৮০ বছর বয়সী মা লুৎপুন্নাহার ত্রিশাল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হয়ে বাড়িতে এসে তাকে ও তার স্বামী সিরাজুল ইসলামকে মারধর করতেন। পাশাপাশি ঘরবাড়ি ভাঙচুর, গালিগালাজ এবং নানাভাবে মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন।
পরে ভুক্তভোগী লুৎপুন্নাহার বিষয়টি ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানকে মোবাইল ফোনে অবহিত করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ সুপার তাৎক্ষণিকভাবে ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ মনসুর আহাম্মদকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
পুলিশ সুপারের নির্দেশে ওসি মনসুর আহাম্মদের নেতৃত্বে ত্রিশাল থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আকরামুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন।
এ বিষয়ে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান জানান, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আকরামুল ইসলাকে তিনমাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন:জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দেখুন:কঠিন জয়ের পর থামছে না আর্জেন্টাইন সমর্থকদের বাঁধভাঙা উল্লাস 

ইমি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন