বিজ্ঞাপন

১১ সদস্যের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি পুর্নগঠন

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা, ২০২৫-এর আলোকে নতুন করে ‘প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি’ পুনর্গঠন করা হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সাংবাদিকদের সরকারি প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদান, নবায়ন এবং এই সংক্রান্ত যেকোনো জটিলতা নিরসনের দায়িত্ব পালন করবে ১১ সদস্যের এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি। এই নতুন কমিটি গঠনের সাথে সাথেই ইতঃপূর্বে গঠিত সকল কমিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রধান তথ্য অফিসারকে সভাপতি এবং তথ্য অধিদপ্তরের সিনিয়র উপ-প্রধান তথ্য অফিসারকে (প্রটোকল) সদস্য-সচিব করে গঠিত এই কমিটিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা ও দেশের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের যুক্ত করা হয়েছে।

কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি অনুবিভাগের মহাপরিচালক, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রেস-২), এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় নিরাপত্তা শাখার উপসচিব।

এছাড়া গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিক নেতাদের মধ্য থেকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন দৈনিক দিনকালের সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডিইউজে-বিএফইউজে-এর মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, জেডনিউজডটনিউজের নির্বাহী সম্পাদক ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, একাত্তর টেলিভিশনের সিইও ও হেড অব নিউজ মো. শফিকুল ইসলাম (শফিক আহমেদ) এবং নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট উম্মে মারুফা।

নতুন এই কমিটির ওপর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বা কার্যপরিধি অর্পণ করা হয়েছে। কমিটি মূলত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যু করার ব্যাপারে যাবতীয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। একই সাথে কার্ড সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের আপত্তি, অভিযোগের শুনানি এবং তা দ্রুত নিষ্পত্তির আইনি দায়িত্বও পালন করবে এই কমিটি।

এছাড়া পরিবর্তিত সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালায় কোনো ধরনের সংযোজন, সংশোধন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হলে, সেই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রণয়ন করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে নবগঠিত এই কমিটিকে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন