বিজ্ঞাপন

চাকরি হারানো প্রায় ১৬২ জন সৈনিক পাচ্ছেন ভূতাপেক্ষ সুযোগ সুবিধা, প্রক্রিয়াধীন আরও ৫০০ জন

বৈষম্যের শিকার হওয়া এবং অযৌক্তিকভাবে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ তুলে চাকরি পুনর্বহাল অথবা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার দাবিতে আবেদন করা সাবেক সেনাসদস্যদের মধ্যে প্রায় ১৬০ জনেরও বেশি ইতোমধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে আরও প্রায় ৫০০ আবেদন বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

সূত্র জানায়, বরখাস্ত বা অব্যাহতিপ্রাপ্ত সৈনিক পর্যায়ের ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি সাবেক সেনাসদস্য চাকরি ফিরে পাওয়া অথবা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও সুযোগ-সুবিধার জন্য আবেদন করেছিলেন। এ জন্য গঠিত পর্ষদ কয়েক ধাপে যাচাই-বাছাই শেষে প্রায় ৮৫০টি আবেদনকে যৌক্তিক হিসেবে চিহ্নিত করে।

এরপর প্রথম ধাপে প্রায় ৩৫০টি আবেদন পর্যালোচনা করে ১৬২ জনের ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এদের মধ্যে কয়েকজন ইতোমধ্যে অবসরকালীন সুবিধা পেতে শুরু করেছেন। অন্যরাও শিগগিরই এসব সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে পর্ষদের বাছাইয়ে উত্তীর্ণ বাকি প্রায় ৫০০ আবেদন পর্যালোচনার বিভিন্ন ধাপে রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, প্রতিটি আবেদনই কয়েকটি ধাপে নিখুঁতভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা বা যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। যে অভিযোগে তাদের চাকরি চলে গিয়েছিল, সেগুলো ভালোভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে।

এতে দেখা গেছে, অনেকে মাদকাসক্ত, পরকীয়া সম্পর্কসহ বিভিন্ন নৈতিক স্খলন জনিত কারণে চাকরি হারিয়েছেন। কিন্তু তারাও সময় এবং সুযোগ বুঝে বৈষম্য ও অন্যায়ের শিকার দাবি করে চাকরি ফিরে পাওয়া বা ভূতাপেক্ষ সুযোগ-সুবিধার জন্য আবেদন করেন।

বর্তমানে সাবেক সৈনিকদের মধ্যে যারা আন্দোলনে নামার তৎপরতা চালাচ্ছেন, তাদের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধে জড়ানো ওই জাতীয় সাবেক সেনা সদস্যরা অগ্রগামী ভুমিকা রাখছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এবং তাদের উস্কানিমূলক এই আন্দোলনের ফলে সুপারিশপ্রাপ্ত বা যৌক্তিক সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হতে যাচ্ছেন এমন সৈনিকরাও ক্ষতিগ্রস্তের সম্মুখীন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পড়ুন: এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন