বিজ্ঞাপন

নড়িয়ায় এলজিইডি অফিসে ঢুকে অফিস সহকারিকে মারধর ও হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কার্যালয়ে ঢুকে অফিস সহকারিকে মারধর ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের মতিউর রহমান সাগর এর বিরুদ্ধে।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় বুধবার (৮ জুলাই) ভুক্তভোগী তৌফিকুল ইসলাম নড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ০২ জুন দুপুর ২টার দিকে নড়িয়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন অফিস সহকারি মোঃ তৌফিকুল ইসলাম। এ সময় মতিউর রহমান সাগর নামের এক ব্যক্তি অফিস রুমে প্রবেশ করে উপজেলা প্রকৌশলীকে খোঁজ করেন।

উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিসে নেই শুনে মতিউর রহমান সাগর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং অফিসারদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন। তৌফিকুল ইসলাম এর প্রতিবাদ করলে মতিউর রহমান সাগর নিজেকে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দিয়ে তৌফিকুল ইসলামের শার্টের কলার ধরে চড়-থাপ্পড় মারেন।

মারধরের সময় তিনি বলেন, “উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাসুদ রুমিকে মারার জন্য আসছিলাম। তাদের না পেয়ে তোকেই নমুনা দেখিয়ে গেলাম।”

এ সময় অফিস সহায়ক মোঃ সজিব হোসেন ও অফিস সহকারী মোঃ সামসুদ্দিন এগিয়ে এসে তাকে বুঝিয়ে অফিস থেকে বের করে দেন। যাওয়ার সময় মতিউর রহমান সাগর তৌফিকুল ইসলামকে মামলা-মোকদ্দমা করলে ফের মারধর ও অফিসে থাকতে না দেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ভুক্তভোগী তৌফিকুল ইসলাম বলেন, গত মাসের ২ তারিখে মতিউর রহমান সাগর অফিসে এসে কর্মকর্তাদের কথা জিজ্ঞেস করেন এবং অফিসে তারা না থাকায় তাদের গালমন্দ করেন। পরে আমি গালামন্দ করতে নিষেধ করায় আমার কলার ধরে চড়-থাপ্পর মারেন। এ ছাড়াও তিনি এ বিষয়ে মামলা না করার হুমকিও দেন।

এদিকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেন অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মতিউর রহমান সাগর। তিনি বলেন, মারধরতো দুরের কথা আমি গত ৬ মাসেও উপজেলা কার্যালয়ে যাইনি। এ বিষয়ে তার বক্তব্য চাইলে তিনি সরাসরি তার কাছে গিয়ে বক্তব্য নিতে বলেন।

এ বিষয়ে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ বাহার মিয়া বলেন, অফিসে গিয়ে মারধর ও হুমকির বিষয়ে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় নড়িয়া উপজেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

পড়ুন : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিভাগীয় পরিচালক ডা: হাবিবুর রহমান এর নজিরবিহীন প্রশাসনিক স্বৈরতন্ত্র

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন