বিজ্ঞাপন

পাথরঘাটায় বন্ধকী স্বর্ণ ও নগদ টাকাসহ উধাও ব্যবসায়ী

বরগুনার পাথরঘাটায় গ্রাহকদের বন্ধক রাখা স্বর্ণ অলংকার এবং নগদ টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাবুল কুলু (৪২) নামক এক স্বর্ণকার ও বন্ধকী ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বাবুল কুলুর বাবার নাম সঙ্ঘুনাথ কুলু। তাদের গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার সন্যাসী খেজুরবাড়িয়া এলাকায়।

সে দীর্ঘদিন যাবত পাথরঘাটার কাঠালতলী বাজারে স্বর্ণকার এবং বন্ধকী ব্যবসায়ী হিসেবে ব্যবসা-বাণিজ্য করে আসছিল।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে নাজমুল হাসান রাসেল বলেন, আমরা সরল বিশ্বাসে বাবুলের স্বর্ণের দোকানে আমাদের স্বর্ণালংকার বন্ধক রাখি। কিন্তু আমাদের বিশ্বাসের অমর্যাদা করে তিনি গত ২৭জুন থেকে স্বর্ণ অলংকার এবং নগদ টাকা সহ আত্মগোপনে চলে যায়। এখন আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক বিবেকানন্দ হাওলাদার বলেন, অত্যন্ত মিষ্টি ভাষা দিয়ে এলাকাবাসীর মন জয় করে বাবুল। এখানে এসে সে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে এবং মেয়ের বিয়েও দেয়। হিন্দু-মুসলমান সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক তৈরি করে নেয়। এভাবে চলতে থাকে তার ব্যবসা বাণিজ্য। আমার ছেলে ঢাকায় ওষুধের ব্যবসা করে। তার প্রয়োজনের তাগিদে বাড়ির স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে স্বর্ণকার বাবুলের কাছ থেকে এক লক্ষ টাক নেই। সুদ সহ এক লাখ ২৭ হাজার টাকা তাকে জমা দেই। কিন্তু সে অলংকার ফেরত দিতে নানা টালবাহানা শুরু করে এবং পালিয়ে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত খলিল জমাদার বলেন, আমাদের স্বর্ণ এবং আমাদের টাকা পয়সা আমরা ফেরত চাই।

গৃহিণী হাওয়া আক্তার বলেন, পাথরঘাটা থানা-পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, দয়া করে আমাদের সম্পদ স্বর্ণালংকার গুলো এবং নগদ টাকা উদ্ধারে আপনারা একটু তৎপর হন। আপনাদের হস্তক্ষেপ না হলে আমাদের অনেকগুলো পরিবার একেবারে নিঃস্ব হয়ে যাবে

জানতে চাইলে পাথরঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আলিম বলেন এ-বিষয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। এবং বিভিন্ন লোকজনের নিকট থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা নিয়ে পালিয়েছে এমনটি তারা জানিয়েছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পড়ুন:কুষ্টিয়ায় হাসপাতাল থেকে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন পা গায়েব

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন