স্কোরলাইন ৩-১ হলেও ম্যাচটি মোটেও সহজ ছিল না আর্জেন্টিনার জন্য। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতায় শেষ হয় লড়াই। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধেও এগিয়ে যেতে পারেনি বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। তবে শেষ ১৫ মিনিটে জুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্টিনেজের গোলে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় আর্জেন্টিনা।
ম্যাচ শেষে জয়ের অনুভূতি প্রকাশ করে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি বলেন, “এই জয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি খুবই কঠিন পরিশ্রমের ফল।” তিনি আরও বলেন, “আমরা শুরু থেকেই জানতাম ম্যাচটি কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।”
শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ের পর আবেগ সামলাতে পারেননি মেসি। তবে সুইজারল্যান্ডকে হারানোর পর তাকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখা যায়। জার্সি খুলে সতীর্থদের সঙ্গে জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন তিনি।
কোয়ার্টার ফাইনাল পেরিয়ে স্বস্তির কথা জানিয়ে মেসি বলেন, “সামনের কঠিন লড়াইয়ের আগে এই জয় আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এতে আগামী ম্যাচের আগে কিছুটা চাপমুক্ত থেকে প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ মিলবে।”
আগামী বুধবার আটলান্টায় ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার লড়াইয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।
এই ম্যাচটি মেসির ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল। একই সঙ্গে অফিসিয়াল ও প্রীতি ম্যাচ মিলিয়ে দুই দশকের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এই প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। প্রথম দুই দেখায় ১৯৬২ ও ১৯৬৬ সালে জয় পায় ইংল্যান্ড। আর ১৯৮৬ বিশ্বকোয়ার্টার ফাইনালে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং ‘শতাব্দীর সেরা গোল’-এর সুবাদে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা।
পড়ুন: টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী
আর/


