বিজ্ঞাপন

খুবির পরিবহন চালক-কর্মচারীদের বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ও চশমা প্রদান কার্যক্রম শুরু

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) পরিবহন পুলে কর্মরত চালক ও কর্মচারীদের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় চশমা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুল ও ভিশনস্প্রিং বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে রোববার (১২ জুলাই) সকালে পরিবহন পুল ক্লাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, যানবাহন নিরাপদে পরিচালনার ক্ষেত্রে চালক ও সহযোগীদের দৃষ্টিশক্তির স্বচ্ছতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া বা ঝাপসা দেখার কারণে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। তাই চালক ও সহযোগীদের নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ভিশনস্প্রিং বাংলাদেশের এ বিনামূল্যের সেবাদান কর্মসূচি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ ও কার্যকর করতে সহায়ক হবে।

তিনি ভিশনস্প্রিং বাংলাদেশের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও এ সেবার আওতায় আনার আহ্বান জানান।

পরিবহন পুলের পরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুস সোবহান মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে চক্ষুস্বাস্থ্য বিষয়ে বক্তব্য দেন ভিশনস্প্রিং বাংলাদেশ প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ শাহরোজ জলিল। এছাড়া বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের সহযোগী পরিচালক (ভিএপি) উম্মে সাউদা।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের উপ-প্রধান প্রকৌশলী শাহ নওরোজ, এস্টেট শাখা প্রধান এস. এম. মোহাম্মদ আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, এ কর্মসূচির আওতায় পরিবহন পুলে কর্মরত চালক ও কর্মচারীদের বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা করা হবে এবং যাদের প্রয়োজন হবে তাদের চশমা প্রদান করা হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মীদের চক্ষুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : গ্রামীণ মানুষের উন্নয়ন ছাড়া দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়-প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন