বিজ্ঞাপন

মাদকসেবনের প্রতিবাদ করায় ছুরিকাঘাতে বিএনপি নেতাকে খুন

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় মাদকসেবনের প্রতিবাদ করাকে কেন্দ্র করে মো. ফারুক ওরফে শহীদ (৫০) নামে এক বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই যুবককে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

বিজ্ঞাপন

নিহত শহীদ সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক এবং তেঁতুলতলা বাজারের একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।

আটককৃতরা হলেন- মো. আরশাদ ওরফে আকাশ (২৪), একই গ্রামের মুন মুন্সিবাড়ির আল আমিনের ছেলে এবং মো. সাজ্জাদ হোসেন আকাশ (১৯), আকবর পুত্রের বাড়ির দুলালের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া। এর আগে বুধবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার তেঁতুলতলা বাজার সংলগ্ন পল্লী বিদ্যুতের সাব-স্টেশনের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়ভাবে চিহ্নিত মাদকসেবী আকাশের বেপরোয়া আচরণের প্রতিবাদ করেন উপজেলা ছাত্রদল নেতা জহির। এ নিয়ে গত মঙ্গলবার রাতে তেঁতুলতলা বাজারের একটি দোকানে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নিহত শহীদ অভিযুক্ত আকাশকে দোকান থেকে বের করে দেন।

নিহতের ছেলে মো. ইমরান হোসেন জানান, ঘটনার পরদিন সকালে আকাশ তার বাবাকে হত্যার হুমকি দেয়। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে পেছন থেকে তার বাবার মেরুদণ্ডে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে কবিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত ২টার দিকে চৌমুহনী চৌরাস্তা এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সে তার মৃত্যু হয়।

ওসি রোমেল বড়ুয়া জানান, মাদকসেবনের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আটক দুইজন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

পড়ুন : সাগরে ঘনীভূত হচ্ছে লঘুচাপ, ৩ নম্বর সতর্কসংকেত বহাল

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন