বিজ্ঞাপন

হিজবুল্লাহকে সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশ ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়ার প্রেক্ষাপটে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহসহ নিজেদের আঞ্চলিক মিত্র ও প্রক্সি সংগঠনগুলোকে বড় ধরনের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে ইরান।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (১৭ জুলাই) টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

লেবাননের প্রভাবশালী সংবাদপত্র নিদাআ আল ওয়াতানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানে সাবেক ইরানি সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জানাজা উপলক্ষে আয়োজিত একটি গোপন বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

খামেনি ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই বৈঠকে ইরান নেতৃত্বাধীন ‘অক্ষশক্তি’ বা ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’-এর শীর্ষ নেতারা মিত্র সংগঠনগুলোকে জানান, অপেক্ষার সময় শেষের দিকে এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সামরিক পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নেওয়াই এখন প্রধান অগ্রাধিকার।

গত মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া প্রাথমিক শান্তি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হয়েছে। রাতভর মার্কিন বিমান হামলায় ইরানে আটজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর জবাবে ইরানের আইআরজিসি জর্ডান ও কাতারে অবস্থানরত মার্কিন যুদ্ধবিমান ও রাডার ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। অন্যদিকে, কুয়েত জানিয়েছে, ইরানি ড্রোন হামলায় তাদের একটি পানি শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কয়েকজন সেনা আহত হয়েছেন।

তবে চলমান উত্তেজনায় এখন পর্যন্ত ইসরায়েল সরাসরি জড়ায়নি এবং ইরানও সরাসরি ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামলা চালায়নি। কিন্তু ইরানি কর্মকর্তারা হিজবুল্লাহকে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তারা সতর্ক করে বলেছেন, সামনে যে সংঘাত আসতে পারে তা আগের যেকোনো যুদ্ধের তুলনায় আরও ভয়াবহ ও বিস্তৃত হতে পারে।

সাম্প্রতিক ক্ষয়ক্ষতির পরও তেহরান হিজবুল্লাহকেই তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য সামরিক সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করছে। হিজবুল্লাহ গত ২ মার্চ ইসরায়েলে হামলার মাধ্যমে আঞ্চলিক সংঘাতে যুক্ত হয় এবং বৈরুত ও জেরুজালেমের মধ্যকার বিরোধ নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক উদ্যোগের বিরোধিতা করে আসছে।

এর জবাবে ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়ে একটি বাফার জোন তৈরি করেছে। একই সঙ্গে ২০২৪ সালের সংঘাতে হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতৃত্বের বড় অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এ ছাড়া ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরাও এর আগে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে, যারা বৃহত্তর এই সংঘাতে যুক্ত হতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

পড়ুন: বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে ইয়ামালের প্রশংসায় মেসি

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন