বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম টেলিভিশন রিপোর্টার্স নেটওয়ার্কের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ব্রাজিলের জয়!

চট্টগ্রাম টেলিভিশন রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক (সিটিআরএন) আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে ৮-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে ব্রাজিল দল।

শুক্রবার রাতে নগরীর চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার ফরচুন এরেনা টার্ফে অনুষ্ঠিত এই প্রীতি ম্যাচে চট্টগ্রামে কর্মরত বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিকরা ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা—এই দুই দলে বিভক্ত হয়ে খেলায় অংশ নেন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় ব্রাজিল দল। নির্ধারিত সময় শেষে তারা ৮-২ গোলের বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে।

ব্রাজিল দলের হয়ে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে সর্বোচ্চ ছয়টি গোল করেন ডিবিসি টেলিভিশনের রিপোর্টার মুজিবুল হক। দলের হয়ে একটি করে গোল করেন বৈশাখী টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান গোলাম মাওলা মুরাদ এবং বৈশাখী টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার নাঈমুল ইসলাম। আর্জেন্টিনা দলের হয়ে দুটি গোলই করেন মাছরাঙা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার মোহসেনাত শিহাব।

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও প্রাণবন্ত এই ম্যাচে রেফারির দায়িত্ব পালন করেন চ্যানেল ওয়ানের ব্যুরো প্রধান শাহনেওয়াজ রিটন।

খেলা শেষে অংশগ্রহণকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে চট্টগ্রাম টেলিভিশন রিপোর্টার্স নেটওয়ার্কের যুগ্ম আহ্বায়ক ও নাগরিক টিভির ব্যুরো প্রধান একে আজাদ বলেন, টেলিভিশন সাংবাদিকদের প্রতিনিয়ত সংবাদ সংগ্রহ ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে নিজের জন্য সময় বের করা অনেক কঠিন। কিন্তু সেই ব্যস্ততার মাঝেও সহকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে এই আয়োজনকে সফল ও প্রাণবন্ত করেছেন। ভবিষ্যতেও টেলিভিশন সাংবাদিকদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় করতে এ ধরনের প্রীতি ফুটবল ম্যাচসহ বিভিন্ন আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ম্যাচ শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়। আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই প্রীতি ম্যাচে চট্টগ্রামে কর্মরত বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিকদের উপস্থিতি আয়োজনটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : এক হাতে বই, অন্য হাতে বাদামের ঝুড়ি; ছোট্ট মাহিমের কাঁধে সংসারের ভার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন