বিজ্ঞাপন

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে প্রসিকিউশন

২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। প্রতিবেদনে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদসহ ৪১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মামলার আসামিদের তালিকায় আরও রয়েছেন একাত্তর টিভির সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু, বেসরকারি টেলিভিশনটির সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা এবং সাংবাদিক শাহরিয়ার কবীর। পাশাপাশি তৎকালীন পুলিশ ও র‍্যাব প্রধান এবং ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকেও আসামি করা হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদনটি প্রসিকিউশনের কাছে জমা দেয়। চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আগামী ২১ জুলাই নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

তিনি আরও জানান, তদন্তে এখন পর্যন্ত শুধু ঢাকাতেই ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের কাজ শেষ পর্যায়ে থাকায় প্রকৃত নিহতের সংখ্যা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

এদিকে শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের মামলার অগ্রগতি জানতে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে গেছেন সংগঠনটির শীর্ষ নেতাদের একটি প্রতিনিধি দল। রোববার সকালে সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল হামিদের (মধুপুর পীর সাহেব) নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ সদস্যের দলটি চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

ওই প্রতিনিধি দলে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি হারুন ইজহার, মুফতি মীর ইদ্রিসসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে ১৩ দফা দাবিতে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। দিনভর উত্তেজনা ও সংঘর্ষের পর রাতে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযানে শাপলা চত্বর খালি করা হয়। ওই অভিযানে বহু মানুষের মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়ে বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত চলছে।

পড়ুন: শিরোপার লড়াইয়ে স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন