বিজ্ঞাপন

জবিতে ‘স্মরণে জুলাই, ছাত্রদল ও অন্যান্য’ শীর্ষক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ও এর চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘স্মরণে জুলাই, ছাত্রদল ও অন্যান্য’ শীর্ষক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন স্মরণ করবে। জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। তিনি বলেন, “জুলাই শত বছরে একবার আসে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার মতো জুলাই গণঅভ্যুত্থানও জাতির ইতিহাসে একটি অনন্য অধ্যায়। তাই জুলাইয়ের চেতনাকে ধরে রাখতে হবে। এই প্রজন্মের শ্রেষ্ঠ অর্জন জুলাই গণঅভ্যুত্থান।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ের স্মৃতি সবার কাছে একেক রকম। কিন্তু এই আন্দোলনের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে আরও বেশি আলোচনা ও স্মরণমূলক কর্মসূচি প্রয়োজন।”

স্মরণসভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন বলেন, “জুলাই আন্দোলন শুধু ৩৬ দিনের নয়, এটি দীর্ঘ ১৬–১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতা। দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়েই স্বৈরাচারী শক্তির পতন সম্ভব হয়েছে।”

সভাপতির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি আন্দোলন নয়, এটি দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতীক। শহীদদের আত্মত্যাগকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ের ইতিহাস বিকৃত করার কোনো সুযোগ নেই। এর প্রকৃত ইতিহাস সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নিয়মিত আলোচনা, গবেষণা ও স্মরণমূলক আয়োজন অব্যাহত রাখতে হবে।”

স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন ও কোষাধ্যক্ষ ড. সাবিনা শারমিন। এ ছাড়া ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কাজী জিয়া উদ্দীন বাসিত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকারের সাবেক সভাপতি একেএম রাকিব, ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক ফেরদৌস শেখ ,জকসুর প্রতিনিধি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক নুর নবী, শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লাসহ কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন : যে পাঁচ কারণে স্পেনকে হারাতে পারে আর্জেন্টিনা

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন