কুষ্টিয়া শহরের একটি ছাত্রাবাসে এক তরুণীকে চার দিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগে রাফিউজ্জামান রবিন (২৪) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ সোমবার স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ। স্বামী পরিত্যক্তা ভুক্তভোগী ওই নারী এক সন্তানের জননী।
রাত ৮টায় কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, আজ রাফিউজ্জামান রবিন নামে একজনকে অটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের খুঁজে বের করতে পুলিশি তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আটককৃত রবিনের একটি ব্যান্ডের দল আছে। রবিন দৌলতপুর উপজেলার লক্ষীখোলা গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, রাফিউজ্জামান রবিন প্রেমের ফাঁদে ফেলে কৌশলে ভুক্তভোগী ওই নারীকে কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার একটি বহুতল ভবনের নিচতলার ছাত্রাবাসে নিয়ে আসেন। এরপর থেকেই শুরু হয় নানা নির্যাতন। গত চার দিন ধরে তাকে ওই ছাত্রাবাসে জিম্মি করে রাখে রবিন এবং তার সহযোগীরা। সোমবার সকালে কৌশলে ছাত্রাবাস থেকে পালিয়ে রাস্তায় বের হয়ে সাহায্য চাইলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘ চার দিন ধরে তাকে শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি ধর্ষণ করা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, অপরাধীরা তার পরিচয় গোপন করতে ব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়িয়ে ফেলেছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ইকবাল হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী নারীকে গাইনি ওয়ার্ডে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ওই নারীর শারীরিক পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেলে বিস্তারিত বলা যাবে।
পড়ুন : সেনা আইনেই হবে মোজাফফর হোসেনের বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সা/


