রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদকে হারানোর এক বছর পেরিয়ে গেলেও শোক কাটেনি তার পরিবারের। প্রিয় সন্তানকে হারানোর বেদনা আজও তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে স্বজনদের। তানভীরের স্মৃতি আঁকড়ে ধরে দিন কাটছে পরিবারের সদস্যদের।
তানভীর আহমেদ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের নগরভাতগ্রাম নয়াপাড়া গ্রামের রুবেল মিয়ার ছেলে। সে রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ২০২৫ সালের ২১ জুলাই কোচিং ক্লাসের জন্য ক্যাম্পাসে অবস্থানকালে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় তানভীরসহ ৩৬ জন নিহত হয়।
এ ঘটনায় তানভীরের পরিবারসহ নিহতদের স্বজনরা শহিদী মর্যাদা, যথাযথ ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের আজীবন বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি জানিয়েছেন। এসব দাবিতে উচ্চ আদালতে রিটও করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তানভীরের পরিবার।
তানভীরের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার গ্রামের বাড়িতে যান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষক। তারা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান এবং তানভীরের স্মৃতিচারণ করেন। পরে আয়োজিত মিলাদ মাহফিল শেষে আন্দিপাড়া গ্রামে তানভীরের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তারা। এ সময় তানভীরের স্মৃতি অম্লান রাখতে কবরের পাশে হাসনাহেনা গাছের চারা রোপণ করা হয়।
তানভীরকে হারানোর এক বছর পেরিয়ে গেলেও তার শূন্যতা পূরণ হয়নি পরিবারের। স্বজনদের হৃদয়ে আজও অমলিন হয়ে আছে প্রিয় তানভীরের স্মৃতি। ২১ জুলাই এলেই পুরোনো ক্ষত যেন নতুন করে জেগে ওঠে, আর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে তানভীরের পরিবারের পরিবেশ।
পড়ুন : চালু হলো ‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপ, এক ক্লিকেই মিলবে জেলা প্রশাসনের সেবা
সা/


