সিরাজগঞ্জে বেলকুচি উপজেলায় পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের নদী থেকে বাংলা ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সরকারি রাস্তার কাজে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি টেন্ডারে অন্য স্থান থেকে মাটি আনার শর্ত থাকলেও তা না মেনে নদী থেকেই বালু তুলে রাস্তা ভরাট করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইব্রাহিমের বাড়ি থেকে আমজাদের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১০০ মিটার রাস্তার নির্মাণকাজ চলছে। তবে কাজের জন্য নদীর ভেতরে বাংলা ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে সরাসরি রাস্তায় ফেলা হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, ঠিকাদার অল্প বরাদ্দের কাজ হওয়ায় দূর থেকে মাটি আনা সম্ভব নয় বলে যার যার বাড়ির পেছনের নদী থেকে মাটি দিতে বলেছেন। অভিযোগ রয়েছে, এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি নদীর মাটি ঠিকাদারের কাছে বিক্রিও করেছেন।
জানা গেছে, কাজটির ঠিকাদার রাজ্জাক মণ্ডল এবং তার পক্ষে কাজ তদারকি করছেন ম্যানেজার আমির চান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার রাজ্জাক মণ্ডল বলেন, আমি কাজ পেয়েছি, কিন্তু সেখানে যাইনি। নজরুল নামে একজন মাটি দিচ্ছে। সে কোথা থেকে মাটি আনছে, তা আমি জানি না। এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে পারেন।
বেলকুচি উপজেলা প্রকৌশলী এস এম শহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। এসিল্যান্ড মহোদয় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আমার টেকনিক্যাল স্টাফদের সরেজমিনে পাঠিয়ে বিষয়টি যাচাই করে পরে জানানো হবে।
বেলকুচি সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসরাত জাহান বলেন, দেলুয়ায় চলমান রাস্তার কাজে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিনে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে বালু উত্তোলনের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি উন্নয়নকাজে টেন্ডারের শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ এবং নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
পড়ুন : কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন অর্থবছরের অনুদান প্রদান


