চট্টগ্রামের ফয়েজ লেক রোডে চিটাগাং খুলশী ক্লাব লিমিটেডের সদস্যদের যানবাহন চলাচলের জন্য রেলওয়ের ভূমি ব্যবহারের জটিলতা এখনো কাটেনি। বিভাগীয় রেলভূমি বরাদ্দ কমিটি আবেদনটিকে যৌক্তিক উল্লেখ করে ক্লাবের অনুকূলে সুপারিশ করলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চূড়ান্ত অনুমোদন না মেলায় ক্লাব সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
নাগরিকের অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি পাহাড়তলীতে বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় রেলভূমি বরাদ্দ কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় উল্লেখ করা হয়, চিটাগাং খুলশী ক্লাব লিমিটেড রেলওয়ের ভূমি ইজারা নিতে চায়নি; তারা কেবল সদস্যদের যানবাহনের প্রবেশ ও বহির্গমনের জন্য যাতায়াত পথ হিসেবে ভূমিটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছে।
আবেদনটি নিয়ে একাধিকবার সরেজমিন তদন্ত ও শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড আপত্তি জানালেও তদন্তে দেখা যায়, তাদের ইজারাকৃত এলাকায় ইতোমধ্যেই একাধিক চলাচলের পথ রয়েছে।
ফলে খুলশী ক্লাবকে যাতায়াতের অনুমতি দিলে রেলওয়ে বা কনকর্ডের কোনো স্বার্থহানি হবে না বলে মত দেয় তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
বিভাগীয় রেলভূমি বরাদ্দ কমিটিও কনকর্ডের আপত্তিকে অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে ক্লাবের অনুকূলে রেলভূমি যাতায়াত পথ হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার সুপারিশ করে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. সুবক্তগীন বলেন, বিষয়টি তাঁর জানা আছে। দ্রুত এ বিষয়ে একটি ইতিবাচক সুরাহা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা জানান, তিনি ইতোমধ্যে সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। বিষয়টি নিয়ে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে।
তবে সুপারিশের দীর্ঘ সময় পরও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় ক্লাবের সদস্যরা এখনো স্বাভাবিক যাতায়াত সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফলে প্রশাসনিক এই বিলম্বের কারণ এবং কবে নাগাদ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে—তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
পড়ুন:চুয়াডাঙ্গায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ২০
ইমি/


