গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের নামা সূত্রাপুর এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে মারধরের পর হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৭-৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার পর অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেছেন নিহতের স্বজনরা।
নিহত মঈনুল হক (৫৫) উপজেলার নামা সূত্রাপুর এলাকার মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১৭ জুলাই সন্ধ্যায় মঈনুল হক কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে বাঁশাই নদীতে একটি নৌকায় বসে কথা বলছিলেন। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নৌকায় হামলা চালিয়ে উপস্থিতদের মারধর করে। একপর্যায়ে মঈনুল হক নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা তাকে ধরে মারধর করে হত্যা করে এবং মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা সেদিন রাতেই বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে ১৯ জুলাই আশুলিয়া এলাকার নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্বজনরা মরদেহ শনাক্তের পর দাফন সম্পন্ন করেন।
নিহতের মেয়ে মুনিয়া আক্তার বলেন, “আমার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা থানায় অভিযোগ করেছি। জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পড়ুন:চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু
ইমি/


