বিজ্ঞাপন

সিরাজগঞ্জকে সবুজ ও নান্দনিক করতে সাত্তার ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

সিরাজগঞ্জ শহরকে আরও সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন সাত্তার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক, সাবেক কাউন্সিলর ও সমাজসেবক হাজী মোঃ আব্দুস সাত্তার।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) সকাল ১০টায় সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার বাজার স্টেশন কড়িতলা থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ শামসুদ্দিন গেট পর্যন্ত সড়কের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

সাত্তার ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে এ বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ, সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়নের অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা ও পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ধারাবাহিকভাবে গাছের চারা রোপণ করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজী মোঃ আব্দুস সাত্তার বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, দেশের পরিবেশ সংরক্ষণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং সিরাজগঞ্জের কৃতি সন্তান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর দিকনির্দেশনায় শহরকে আরও সবুজ ও দৃষ্টিনন্দন করতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সাত্তার ফাউন্ডেশন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। মানুষের পরিচয় তার মানবিকতায়, তাই সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এই ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য। তিনি সবাইকে নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা ও আশপাশে বেশি করে গাছ লাগানোর পাশাপাশি শহর পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান।

হাজী মোঃ আব্দুস সাত্তার বলেন, গাছ মানুষের পরম বন্ধু। অপ্রয়োজনে গাছ কাটা উচিত নয়। একটি গাছ কাটলে অন্তত পাঁচটি নতুন গাছ লাগানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, মানুষের মৃত্যুর পর সম্পদ সঙ্গে যায় না, কিন্তু মানুষের কল্যাণে করা কাজ ও সদকায়ে জারিয়ার মতো সওয়াব অব্যাহত থাকে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বেশি বেশি বৃক্ষরোপণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

পড়ুন : বাংলাদেশের উত্থাপিত প্রস্তাব জাতিসংঘে গৃহীত

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন