সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম ইন্নার পা কেটে ফেলা, ইসলামিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাফিন আহমেদ জিসানকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি ও তার মাকে প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির হুমকিসহ গালিগালাজ করার প্রতিবাদে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছানোয়ার হোসেন সানুকে গ্রেপ্তার ও বহিষ্কারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মা শাপলা আহমেদ।
পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। এ সময় দাবি বাস্তবায়ন না হলে আমরণ অনশনে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন শাপলা আহমেদ। তিনি অভিযোগ করেন, গত রবিবার (২৬ জুলাই) রাতে ফোন দিয়ে তার ছেলে শাফিন আহম্মেদ জিসানকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি দেন সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছানোয়ার হোসেন সানু। একই সঙ্গে তাকে উদ্দেশ করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও তার স্বামী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম ইন্নার পা কেটে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে যা একজন মা, স্ত্রী ও নারী হিসেবে তার সম্মানহানির শামিল বলে দাবি করেন তিনি। এর একটি কল রেকর্ড ফেসবুকে ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত রোববার (২৬ জুলাই) রাতে সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছানোয়ার হোসেন সানু আমার ছেলে জিসানকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছে। একই সঙ্গে আমাকে উদ্দেশ করে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করেছে। একজন মা ও নারী হিসেবে আমার সম্মানে আঘাত করেছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদকের সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাচন নিয়ে করা একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়। পরে তার ছেলে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে সেটি ফেসবুক পোস্ট করেন৷ এটি কেন্দ্র করে ছানোয়ার হোসেন সানু ফোনে হত্যার হুমকি দেন এবং তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করেন।
মা শাপলা আহমেদ তার ছেলে ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ছানোয়ার হোসেন সানু ও তার ভাই সনি আহম্মেদ শামীমকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। একই সঙ্গে দাবি আদায় না হলে আগামীকাল (মঙ্গলবার) সকাল ১০ টা থেকে আমরণ অনশনে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
এর আগে গত ১৪ই জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বরাবর পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম ইন্না। পাশাপাশি জেলার পুলিশ সুপারের নিকট অভিযোগ দায়ের করা জয়।
এ সময় শাফিন আহমেদ জিসানের দাদি সাবেক কাউন্সিলর বেগম খালেদা মান্নান, চাচা জেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম মিন্টু ও জেলা বিএনপির সহপ্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন : চাকরির একটি পদের জন্য আবেদন পড়ছে পাঁচ-ছয় লাখ: মির্জা ফখরুল
সা/


