বিজ্ঞাপন

সিরাজগঞ্জে প্রেম করে বিয়ের পর স্ত্রীকে অপহরণের অভিযোগ

প্রেম করে বিয়ে করার পর স্ত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সুকদেব চন্দ্র হলদার।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়ির পরিবার থেকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং থানায় অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার পাননি। এখন স্ত্রীকে উদ্ধারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবী করেছে স্বামী সুকদেব চন্দ্র হলদার।

সোমবার দুপুরে উল্লাপাড়া উপজেলার একটি স্থানীয় রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করে এসব বলেন সুকদেব চন্দ্র হলদার।

তিনি বলেন, পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার নৌবাড়ীয়া নতুনপাড়া গ্রামের প্রিয়া রানীর সঙ্গে পারস্পরিক ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উভয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী গত ১১ জুন-২০২৬ইং তারিখে স্থানীয় কালীমন্দিরে বিয়ে করেন এবং পরে হিন্দু ম্যারেজ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে বিয়ের নিবন্ধন সম্পন্ন করেন। এরপর ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলায় ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। তিনি বলেন, আমাদের বিয়ের পর মেয়ের বাবা উল্লাপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পুলিশ আমাদের রাণীশংকৈলের ভাড়া বাসা থেকে থানায় নিয়ে যায়। ভিকটিমের বক্তব্য শোনার পর উল্লাপাড়া থানা পুলিশ আমাদের ছেড়ে দেয় এবং আমরা আবার ভাড়া বাসায় ফিরে যাই।

সুকদেবের অভিযোগ, গত ১৭ জুন সকালে আমি কর্মস্থলে যাওয়ার পর পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকটি মাইক্রোবাসে করে আমার স্ত্রী প্রিয়া রানীর বাবা হরিপদ হলদার, ওসিম হলদার, কালাচাঁদ হলদার, বিপ্লব হলদার, অমূল্য হলদার, তুষারসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জন আমার ভাড়া বাসায় আসে। তারা সেখানে থাকা লোকজনকে মারধর করে এবং আমার স্ত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় আমার স্ত্রীকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমি দ্রুত বাসায় গিয়ে সবকিছু জানতে পারি। পরে রাণীশংকৈল থানায় মামলা করতে গেলেও অজ্ঞাত কারণে আমার অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি। পরে আইনি প্রতিকার চেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি।

সংবাদ সম্মেলনে সুকদেব চন্দ্র হলদার দাবি করেন, তার স্ত্রীকে উদ্ধারের পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সুনামগঞ্জে বাবার পাশ থেকে নিখোঁজ ১১ মাসের শিশুর মরদেহ সেফটি ট্যাংক থেকে উদ্ধার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন