মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান বলেছেন, মৌলভীবাজারে এখনও আওয়ামীলীগ সরকারের পুলিশ কর্মকর্তারা বহাল তবিয়তে আছেন, তাঁরা প্রশাসনিক কার্যক্রমে শতভাগ সহযোগিতা করছেন না। স্বৈরাচারী সরকারের সময় যে পুলিশরা অত্যাচার-জুলুম নিপীড়নে জড়িত ছিল তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে, এদের কে রিহ্যাব সেন্টারে ভর্তি করা হোক। বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ আয়োজিত নাগরিকদের সাথে -আইন প্রয়োগ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এসময় এমপি বলেন, ভারত শুধু আমাদের দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় ফেন্সিডিলের কারখানা গড়ে তুলেছে, এটি কোনো সাধারণ ব্যবসায়ীর কাজ নয়, এটি পরিকল্পিত। সরকারিভাবে তাঁদের গোয়েন্দা সংস্থার গভীর চাল এদেশের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করার। ভারত পাকিস্তান কিংবা নেপাল সীমান্তে এ ধরনের কোনো কারখানা করাতো দূরের কথা সাহসও করতে পারেনা। দেশে মাদকের বিশাল চালানের একটি ক্ষুদ্র অংশ আটক করা হলেও এর বড় অংশই থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাহিরে, তাই মাদক রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কে আরো সচেতন হতে হবে।
সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ড. মো: জিল্লুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো: ফয়জুল করিম ময়ুন, সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আব্দুল মতিন চৌধুরী ,প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক বকশি মিছবাউর রহমান ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট এর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রুনু কান্ত দও। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো: মনিরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারন মানুষ, জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি তুলে ধরে দিন দিন উদ্বেগজনক হারে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়েরর আধিপত্য বেড়ে যাওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
পড়ুন:বাঞ্ছারামপুরে বৃদ্ধাকে হত্যা করলো নাতি-নাতবৌ, নাটক সাজাতে স্বর্ণালঙ্কার লুট
ইমি/


