মাত্র ১২ বছর বয়সে ব্লাড ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগের সঙ্গে জীবনযুদ্ধ করছে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার ছোট্ট আব্দুল্লাহ আন নাফিস। যে বয়সে তার বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে মেতে থাকার কথা, সেই বয়সেই তাকে দিন কাটাতে হচ্ছে হাসপাতালের বিছানায়।
নাফিস নাজিরপুর উপজেলার ডুমুরিয়া নেছারিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মো. মুজিবুর রহমানের সন্তান। চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি তার শরীরে ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। প্রথমে রাজধানীর পিজি হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু হলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য পরে তাকে ভারতের ভেলোরের সিএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
চিকিৎসকদের মতে, নাফিসকে সুস্থ করে তুলতে রেডিয়েশন থেরাপি, হাই-ডোজ কেমোথেরাপি এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি। এ চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৩০ লাখ টাকা। পাশাপাশি চিকিৎসার স্বার্থে পরিবারকে অন্তত ৯ থেকে ১০ মাস ভারতে অবস্থান করতে হবে।
সন্তানের জীবন বাঁচাতে ইতোমধ্যেই বাবা তার জমিজমা ও সঞ্চয় বিক্রি করে সর্বস্ব ব্যয় করেছেন। এখন আর চিকিৎসার বিপুল ব্যয় বহন করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের কাছে একটাই আবেদন জানিয়েছেন “আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে আপনাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।”
নাফিসের পরিবারের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক সংগঠনসহ সকলের প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন তারা এই শিশুটির চিকিৎসায় এগিয়ে আসেন। আপনার সামান্য সহায়তাও হতে পারে একটি নিষ্পাপ শিশুর নতুন জীবনের আশার আলো।
পড়ুন:হবিগঞ্জের লস্করপুরে বন্যাদুর্গতদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ
ইমি/


