বিজ্ঞাপন

বেগমগঞ্জে বাড়িতে হামলা, নারী নির্যাতন ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে নারী নির্যাতন, মারধর ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাহানা আক্তার বেগমগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের রফিকপুর এলাকার বাসিন্দা শাহানা আক্তারের স্বামীর বসতবাড়িতে গত ২৮ জুলাই দুপুর ও বিকালে পৃথক দুই দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত খলিল মিয়ার ছেলে মো. জিহাদ, আমির হোসেনের ছেলে মো.শরীফ উদ্দিন ও মো. ইসমাঈলের নেতৃত্বে একটি গোষ্ঠি পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রথমে দুপুরে বাড়িতে প্রবেশ করে গালমন্দ ও মারধর করে। এসময় শাহানা আক্তারসহ কয়েকজন নারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।

পরবর্তীতে একই দিন বিকালে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে পুনরায় হামলা চালায়। তারা বাড়িতে ঢুকে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং কয়েকজনকে গুরুতর আহত করে। অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা ভুক্তভোগীদের চুল ধরে টানাহেঁচড়া করে ঘর থেকে বের করে এনে মারধর করে এবং শ্লীলতাহানি করে।

এসময় বাড়িতে থাকা এক অতিথি প্রতিবাদ করলে তাকেও মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং বিষয়টি নিয়ে কোথাও অভিযোগ করলে পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে হুমকি প্রদান করে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় ভুক্তভোগী শাহানা আক্তারের গলায় থাকা প্রায় ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়া হয়। এছাড়া অপর এক সাক্ষীর গলার স্বর্ণালংকারও নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

ভুক্তভোগী শাহানা আক্তার জানান, আমাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যরা প্রবাসে থাকায় আমরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের নির্যাতনের শিকার হচ্ছি। এখন আমাদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কায় আছি।

এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : চট্টগ্রামে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোকানে বাস, নিহত ২

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন