বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর। শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টার পর রাজধানীতে এ বৈঠক শুরু হয়।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকসূত্রে জানা গেছে, দুই দেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে এ সময় আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরা হবে।

এর আগে গত ৩০ জুলাই ঢাকায় পৌঁছান সার্জিও গোর। ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘আমার বন্ধু, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোরকে বাংলাদেশে স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত। তার এই সফর যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।’

সফরের প্রথম দিনে সার্জিও গোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোর বাংলাদেশ সফরের শুরুতেই বাংলাদেশের জন্য ভ্রমণসতর্কতা কমানোর সুখবর দিলেন। গতকাল সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি লিখেন, ‘আজ সন্ধ্যায় আমি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে জানিয়েছি যে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট মাঠপর্যায়ের স্থিতিশীল পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েছে এবং বাংলাদেশকে ভ্রমণের জন্য অধিকতর নিরাপদ বলে মনে করেছে।

সেই অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক ভ্রমণ লেভেল তিন থেকে কমিয়ে লেবেল দুইয়ে নামিয়ে আনা হয়েছে। কয়েকটি নির্দিষ্ট এলাকায় অতিরিক্ত বিধিনিষেধ রয়েছে এবং সেগুলো এড়িয়ে চলা উচিত। দারুন খবর।’ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর সার্জিও গোর এই বার্তা প্রকাশ করেন।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির পরিদর্শন করেন সার্জিও গর। সেখানে তিনি ক্যাম্পের সার্বিক পরিস্থিতি, মানবিক সহায়তা কার্যক্রম এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবগত হন। সফরকালে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে যুক্ত প্রতিনিধিদের সঙ্গেও তার মতবিনিময় হয়।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, সফর চলাকালে দু’দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের পাশাপাশি আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুতেও আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

পড়ুন : গণপরিবহনে আজ থেকে জিপিএস বাধ্যতামূলক

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন