জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ৪ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রোববার (২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এদিন মামলার ২৭তম সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তা আহমেদ নাসের উদ্দিন মোহাম্মদকে জেরা করেন স্টেট ডিফেন্সের আইনজীবী লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান। জেরা শেষে আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ৪ আগস্ট দিন নির্ধারণ করেন।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মঈনুল করিমসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।
এর আগে ২৬ জুলাই সাক্ষ্য দেন সাংবাদিক আশরাফ কায়সার। জবানবন্দিতে তিনি আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরার পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করেন।
এর আগে, প্রথম দফার সাক্ষ্যগ্রহণ ২৭ এপ্রিল শেষ হওয়ার পর যুক্তিতর্কের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছিল। তবে প্রসিকিউশনের আবেদনের পর সাংবাদিক আশরাফ কায়সারের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় তদন্ত কর্মকর্তাকেও পুনরায় জবানবন্দি দিতে হয়।
ওবায়দুল কাদের ছাড়া এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।
মামলার সব আসামিই বর্তমানে পলাতক।
পড়ুন: দুবাইয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বেনজীর আহমেদ
আর/


