বিজ্ঞাপন

কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপিত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস- ২০২৬’ উদযাপিত হয়েছে।

বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে বিজয় র‌্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জুলাই স্কয়ারে গিয়ে শেষ হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ হতে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন নির্মিতব্য প্রস্তাবিত জুলাই সোপানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

আলোচনা সভার প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন তাঁর বক্তব্যের শুরুতে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন জুলাইসহ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে যারা দেশের জন্য আত্মাহুতি দিয়েছেন এবং গণতন্ত্রের মানসকণ্যা, আপসহীন নেত্রী, গণতন্ত্র পুনরুত্থানকারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়াকে। প্রধান অতিথি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস এক অর্থে গণতন্ত্র পুনরুত্থান দিবস।’

প্রধান অতিথি উপাচার্য আরও বলেন, ‘জুলাই একদিকে আনন্দঘন এবং আরেকদিকে বেদনাবিধুর দিন। জুলাই মানে সন্তানহারা মা-বাবার বুকফাটা কান্না; জুলাই মানে ভাই হারা বোন আর বোন হারা ভায়ের কান্না। পৃথিবীতে সবচেয়ে প্রিয় জিনিস হলো নিজের জীবন। সময়ের প্রয়োজনে দেশের জন্য এদেশের জনগণ নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়েছে। জুলাই শহিদগণ জীবন দিয়ে মৃত্যুকে জয় করেছেন। ছাত্র-শিক্ষক, শ্রমিক, জনতা সবাই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসন থেকে মুক্তি চেয়েছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থান সার্বজনীন আন্দোলনে রূপ নেওয়ার কারণেই ফ্যাসিস্ট বিদায় নিতে বাধ্য হয়। তাই অনেক ত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে সকলের সহযোগিতায় সকল বিতর্কের উর্ধ্বে উঠে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যেতে হবে। এছাড়া আমরা যেন বৈষম্যহীন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে পারি তার জন্য আমাদের কাজ করতে হবে, তবেই জুলাইয়ের অর্জন স্বার্থক হবে।

বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন এবং ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস- ২০২৬’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামালের সভাপতিত্বে ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলমের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার নাজমুল হাসান।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রায়হানা আক্তার, কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি হারুনুর রশিদ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান ও সদস্য-সচিব মামুন সরকার, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ তাদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি ব্যক্ত করেন। এসময় বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে ১১ দলের গণমিছিল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন