নওগাঁর নিয়ামতপুরে সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন খাল খননের ৯ লক্ষ ৮৩ হাজা ৭৬২ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুর্শিদা খাতুন।
জানা গেছে, প্রান্তিক কৃষকদের সেচ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য সরকার খাল খনন কর্মসূচির উদ্যোগ নেন। উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর হতে সন্তোষপুর হয়ে ছাতড়া বিল পর্যন্ত খাল খনন কাজের জন্য ৬৪ লক্ষ ৪১ হাজার ৪১৯ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। খনন কাজ শেষে উদ্বৃত্ত থেকে যায় ৯ লক্ষ ৮৩ হাজা ৭৬২ টাকা। উদ্বৃত্ত সে টাকায় ফেরত পাঠানো হয় সরকারি কোষাগারে।
চন্দননগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মাইনুল ইসলাম বিষয়টি নিয়ে বলেন, প্রকল্পের কাজ শেষে উদ্বৃত্ত টাকা ফেরত দেওয়া বিরল ঘটনা। এমন নজির এর আগে ঘটেনি।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, স্হানীয় কৃষি উৎপাদন ও পানি নিষ্কাশনের জন্য খাল খনন প্রকল্পটি কৃষকদের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর সুফল দীর্ঘদিন ভোগ করবে স্হানীয় কৃষকেরা।
নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুর্শিদা খাতুন বলেন, সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। সঠিক পরিকল্পনা, তদারকি এবং স্বচ্ছতা থাকলে নির্ধারিত বাজেটের থেকে কম খরচে কাজ করা সম্ভব। মূলত আমরা সেই চেষ্টা করেছি।
পড়ুন:সৌদি আরবে আগুনে পুড়ে নওগাঁর ১০ জনের মৃত্যু
ইমি/


