দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে মালয়েশিয়া জাতীয় দলকে কোনো পাত্তাই দিল না বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স ইউনিট৷ প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও দাপুটে জয় তুলে নিয়ে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করেছে মেহরব হোসেন অহিনের দল।
দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক জিশান আলম। সফরকারীদের মামুলি লক্ষ্যের বিপক্ষে বিষ্ফোরক ব্যাটিং করেছেন এই ওপেনার। ২১ বলে তার ৫৭ রানের ইনিংসে ৭৪ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে এইচপির টাইগাররা।
মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় মালয়েশিয়া। তবে শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে চাপে পড়ে সফরকারীরা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১০৫ রান সংগ্রহ করে তারা। জবাবে মাত্র ৭.৪ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।
রান তাড়ায় শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে বাংলাদেশ। জিশান আলমের ব্যাট যেন আলাদা ছন্দে কথা বলছিল। মাত্র ২০ বলে তুলে নেন ফিফটি। বিধ্বংসী এই ইনিংসে ছিল দুটি চার ও সাতটি ছক্কার মার।
আরেক ওপেনার জাওয়াদ আবরারও শুরুটা দারুণ করেন। তবে ৮ বলে ২৩ রান করে ফিরতে হয় তাকে। আরিফুল ইসলাম ৩ বলে ৪ এবং সাব্বির রহমান ৮ বলে ১২ রান করে ফেরেন। তবে তাতে বাংলাদেশের জয় আটকে থাকেনি। জিসানের ঝোড়ো ফিফটি ও দ্রুতগতির রান তোলার সুবাদে ম্যাচটি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে এবং দাপুটে জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে আগের ম্যাচের মতোই ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভুগেছে মালয়েশিয়া। ২০ বলে ১৮ রান করে রাকিবুল হাসানের বলে ফেরেন আসলাম খান বিন মালিক। এরপর সাইফ উল্লাহ মালিকও কোনো রান না করেই রুবেলের শিকার হন। ফলে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা।
সেখান থেকে দলকে সামলান অধিনায়ক সৈয়দ আজিজ ও আহমেদ আকিল ওয়াহিদ। তৃতীয় উইকেটে দুজনের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় মালয়েশিয়া। আজিজ ৫২ বলে ৪০ রান করেন, তার ইনিংসে ছিল তিনটি চার। অন্যদিকে আহমেদ আকিল ৩৩ বলে ৩০ রান করেন, যেখানে ছিল দুটি ছক্কা। তাদের জুটিতে ৯০ রানের ঘরে পৌঁছে যায় মালয়েশিয়া।
তবে জুটি ভাঙার পর আর বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি তারা। আহমেদ আকিলকে শামিম হোসেন পাটোয়ারীর ক্যাচে পরিণত করেন আবু হায়দার রনি। শারভিন মুনিয়ান্ডি ৭ বলে ১১ এবং বিজয় উন্নি ৩ বলে ২ রানে অপরাজিত থাকেন। অতিরিক্ত থেকে আসে ৪ রান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১০৫ রান করে মালয়েশিয়া।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন আবু হায়দার রনি। ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। রুবেল ছিলেন আরও কৃপণ। ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচ করে একটি উইকেট নেন। রাকিবুল হাসানও পান একটি উইকেট।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

