সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পরিবেশগত অনুমোদন ছাড়াই একাধিক প্রসেস ও ডাইং দীর্ঘদিন ধরে পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হলেও পরে আবারও কারখানাগুলো চালু করা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
উপজেলার মকন্দগাতি এলাকার চালা কালিবাড়ি হাট রোডে এসব কারখানার অবস্থান। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকটি মিলের বর্জ্য পানি সরাসরি নদীতে ফেলায় পানি দূষিত হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। নদীতে মাছ কমে যাওয়ার পাশাপাশি আশপাশের কিছু টিউবওয়েলের পানিতেও দুর্গন্ধ দেখা দিয়েছে বলে দাবি তাদের।
গত রোববার (২ আগস্ট) চালা কালিবাড়ি রোডের অফিসপাড়া এলাকায় চারটি প্রসেস ও ডাইং কারখানায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অর্থদণ্ড করা হয়। তবে জরিমানা দিয়েই অনিয়ম বন্ধ হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এদিকে, মেসার্স একতা ডাইংয়ের স্বত্বাধিকারী মোঃ সাইফুল ইসলাম বিভিন্ন দপ্তর ও কর্মকর্তাকে টাকা দিয়ে কারখানা পরিচালনার অভিযোগ করেছেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম বলেন, ওই এলাকায় কয়েকটি প্রসেস মিলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অবৈধভাবে পরিচালিত অন্য মিলগুলোর বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু জরিমানা নয়, কারখানাগুলোর অনুমোদন, পরিবেশগত ছাড়পত্র ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা যাচাই করে আইন অনুযায়ী স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
পড়ুন : অসাধু চক্রের ষড়যন্ত্রে থমকে যাচ্ছে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার উন্নয়ন


