বিজ্ঞাপন

এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল: টাঙ্গাইলে ৬ স্কুল-মাদ্রাসার কেউই পাস করেনি

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে টাঙ্গাইলে ৬টি স্কুল-মাদ্রাসার একজন শিক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। জেলা শিক্ষা অফিস থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি এমপিও ভুক্ত ৪টি ননএমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষকদের অবহেলা এবং নিয়মিত ক্লাশ না হওয়ার ফলে শিক্ষার্থীরা অকৃতকার্য হয়েছে। এছাড়া ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস করেছে।

বিজ্ঞাপন

স্কুলগুলো হল- ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও বিএম দাখিল মাদ্রাসা, নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ আনোয়ার খান মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও আগাডিঘুলিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, মির্জাপুর উপজেলার তরফপুর বহুমুখী দাখিল মাদ্রাসা, ঘাটাইল উপজেলার মনতলা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা।

জেলা শিক্ষা অফিস জানায়, জেলায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৫৯.০৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে- ২ হাজার ১৭৩। ৪৬ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৭ হাজার ৪৭৬ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এর মধ্যে এসএসসিতে ৬১.৩৮ শতাংশ, দাখিলে পাশের হার ৫২.৮৩ শতাংশ, এসএসসি ভোকেশনালে ৫১.৮২ এবং দাখিল ভোকেশনালে ২৮.৫৭ শতাংশ।

মির্জাপুরের তরফপুর দারুস সুন্নাহ বহুমুখী দাখিল মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট রেজাউল করিম বলেন, ফলাফল ভালো হবে এই আশায় ছিলাম। কিন্তু যখন দেখলাম কেউই পাস করেনি তখন আর ভালো থাকতে পারলাম না। খুব শীঘ্রই অভিভাবক সমাবেশ করা হবে, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে কিভাবে ভালো ফলাফল করা যায় সেদিকে নজর দেওয়া হবে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জুলফিকার হায়দার বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল করা বা শূন্য পাসের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য। শূন্য পাসের মাদরাসাটিসহ যেসকল প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান আশঙ্কাজনকভাবে নেমে গেছে, সেগুলোকে বিশেষ প্রশাসনিক মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও পরিচালনা পর্ষদকে কারণ দর্শানোর প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।

এ ব্যাপারে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি’র জেলা শাখার একাংশের সভাপতি আব্দুল কাদের এ প্রতিবেদকে বলেন, নিসন্দেহে ৩টি পক্ষ এর দায় এড়াতে পারে না। বিশেষ করে যারা এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তারা তো সরকার থেকেই সকল সুবিধা পায়। এক্ষেত্রে তাদের দায়বদ্ধতা থাকা উচিৎ। ভালো শিক্ষার্থী না পেলেও ৫টি বছর পড়ানোর পর শিক্ষার্থীদের উন্নতি হওয়া উচিত।

তিনি আরো বলেন, এর দ্বায় শিক্ষকরা এড়াতে পারে না। সবচেয়ে বেশি দ্বায়ভার শিক্ষকদের নিতে হবে।

এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার রেবেকা সুলতানা এ প্রতিবেদকে বলেন, ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আমরা ডাকবো এবং কারণ দশানো নোটিশ দিবো। প্রচলিত বিধি অনুয়ায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, মূলত কি কারণে ফল বিপর্যয় তা আমরা শুনবো। সে অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নিবো।

পড়ুন : সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে  নিহত ১৬ প্রবাসীর পরিবার পাবে বিশেষ অনুদান

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন