বিজ্ঞাপন

শতভাগ ফেল, ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ বিদ্যালয়ের প্রধানকে শোকজ

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও অকৃতকার্য হয়েছে সবাই। ফলাফলে এমন বিপর্যয়ের ঘটনায় পাঁচ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে জেলা শিক্ষা বিভাগ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহীন আকতার।

জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় চারজন শিক্ষার্থী। তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। একই উপজেলার অনভারডিঘি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষার্থী ছিল সাতজন। মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাঁচজন এবং তাওরিগাঁ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাঁচজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও একজনও পাস করতে পারেনি।

অন্যদিকে, হরিপুর উপজেলার রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া তিন শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।

এতে পাঁচটি বিদ্যালয়ের প্রত্যেকটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে। এমন ফলাফলে বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান ও একাডেমিক ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ঠাকুরগাঁও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহীন আকতার বলেন, পাঁচটি বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের ডেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে ফল বিপর্যয়ের কারণ লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়গুলোর ফলাফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, জেলা শিক্ষা অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও জেলার সামগ্রিক এসএসসি ফলাফলও আশাব্যঞ্জক নয়। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জেলায় মোট ১৭ হাজার ৬৮৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯ হাজার ৮৮৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৪৬৪ জন শিক্ষার্থী। জেলায় এবার মোট পাসের হার ৫৫ দশমিক ৯০ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক চেয়ারম্যান আলম গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন