ঢাকার সাভারের সাধাপুর এলাকায় একটি মসজিদের খোলা মাঠে কালো কসটেপে প্যাঁচানো প্রেসার কুকারটি শক্তিশালী একটি বোমা বলে শনাক্ত করা হয়েছে। ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকা জনশূন্য করে ফেলে। পরে বেলা ৩টা ২৮ মিনিটে সেই প্রেসার কুকার বোমাটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার সময় বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ৫০০ মিটার দূরত্বেও অবস্থান করা স্থানীয়রা।
বোমাটি যেখানে নিষ্ক্রিয় করা হয়, সেখান থেকে অন্তত ৫০০ মিটার দূরে অবস্থান করা ব্যবসায়ী নিবীর হোসেন বলেন, “এত শক্তিশালী বোমা, তা জানা ছিল না। যখন নিষ্ক্রিয় করা হয়, তখন বিকট শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে। আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি।”
জানতে চাইলে সাভার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেন, “বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার সময় বিকট শব্দে এলাকা কেঁপে উঠেছে। এটা অনেক ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বোমা। এ বিষয়ে বিস্তারিত স্যারেরা ব্রিফ করবেন।”
এর আগে সকাল ৮টার দিকে পুলিশের জরুরি সেবা নম্বরে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কালো কসটেপে প্যাঁচানো একটি প্রেসার কুকার দেখতে পান পুলিশ সদস্যরা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলটি ঘিরে ফেলেন। এরপর ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়।
বেলা পৌনে ২টার দিকে বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকা জনশূন্য করার নির্দেশ দেয়। এর আগে পুলিশ জানায়, গভীর রাতে সাধাপুর গোবের বাড়ি লালটেক ঘোড়া মসজিদের মাঠে স্থানীয় লোকজন একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে কাপড়চোপড়, কোরআন শরিফসহ কসটেপে প্যাঁচানো প্রেসার কুকারটি দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজন ড্রাম থেকে প্রেসার কুকারটি বের করে মসজিদের মাঠে রেখে দেন।
অজ্ঞাতনামা তিন ব্যক্তি রাতে প্লাস্টিকের ড্রামটি মসজিদের মাঠে রেখে পালিয়ে গেছেন বলে তাঁরা জানিয়েছেন।
পড়ুন:বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, পুলিশ বলছে পটকা!
ইমি/


