গ্রাম বেলভূজা, বুড়িগঞ্জ, শিবগঞ্জ, বগুড়া। মোছাঃ আকলিমা বিবি পিতা মোঃ লুৎফর রহমান স্বামী মোঃ ইমরান হোসেন পুলিশ সদস্য রুহুল আমিনন এর সুদের ৩০০০০০ তিন লক্ষ্য নিয়ে আট লক্ষ্য টাকা দেওয়ার পরও আবার সুদের দাবি করে আসল |
দেওয়ার পরও আট লক্ষ্য সুদ দিয়েছি তার পর মারধর শারীরিক নির্যাতনের শিকার সুদের টাকা পরিশোধ কে কেন্দ্র করে থানায় জিডি কোর্টে মামলা সেই মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকি মামলা তুলে না নিলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার পুলিশ সদস্য রুহুলের প্রকাশ হুমকি এবং অতীতে তার আপন ফুপা ও ফুপাতো ভাইদের জমি নিয়ে বিরোধে যাত্রা বাড়ি থানায় দুই দুটি হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছে প্রকাশে হুমকিতে বলে যাহার যাত্রাবাড়ী থানার মামলা নম্বার ৩৪ তাং ০৯/০৩/২০২৫ মিথ্যা বানোয়াট যোগসাজশে হয়রানী মূলক বাদী বানিয়ে মোঃ আব্দুর রহিম কে দিয়ে যে কোন দিন আঃ রশিদ কে দেখে নাই চিনেই না এবং পুলিশের ব্রাশ নম্বর জানে না আঃ রশিদ পুলিশ এর নামে কোন মামলা করে নাই থানা পুলিশ বলে রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তি বলে সব টাকা আমি দিব আপনি শুধু বাদি হবেন এবং মামলা নম্বর ২৫ তাং ০৬/০৭/২০২৫ বানোয়াট যোগসাজশে হয়রানী মূলক বাদী বানিয়ে মোঃ আব্দুর রহিম কে দিয়ে যে কোন দিন আঃ রশিদ কে দেখে নাই চিনেই না এবং পুলিশের ব্রাশ নম্বর জানে না আঃ রশিদ পুলিশ এর নামে কোন মামলা করে নাই থানা পুলিশ পরিচয় দিয়ে রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তি বলে সব টাকা আমি দিব আপনি শুধু বাদি হবেন আমি শুধু স্বাক্ষর করেছি কিন্তু আব্দুর রশিদ নামে আমি মামলা করিনি এবং বেনামী চিঠি দিয়ে বেনামী চিঠি দিয়ে হয়রানীকরেছেন অনুসন্ধানে তদন্তে প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে যাহার স্মারক নং নথি আরও-৬/(পি এস এন্ড আই আই) মতিঝিল -২৭/২০২৫)/১১২৫ তারিখ১১/১১/২০২৫ ইং এবং আমাকেও মিথ্যা হত্যা অথবা চেকের স্ট্যম্পের মামলা ফাঁসাইবে মর্মে এলাকায় প্রকাশ্যে হুমকি সুদের ব্যবসা করা সম্পন্ন নিষিদ্ধ এতে সর্বচ্চ ১২ (বারো) বছর পর্যন্ত সাজা হতে পারে মোঃ রুহুল আমিন তার স্ত্রী রুনা এবং শশুর নজরুল সুদারু অত্র এলাকায় সুদের ব্যবসা প্রকাশে পরিচালনা করে আসছে এটা মানি লন্ডানিং এর মধ্যে পরে এরা বিভিন্ন প্রান্তিক মানুষ বিপদ আপদে পরে অধিক সুদের হারে টাকা নিচ্ছে তারা সিকিউরিটি এই চেকের মধ্যে বিভিন্ন মেয়াদের এমাউন্ড বসিয়ে তাদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে এই বিষয় গুলো সম্পন্ন মানি লন্ডানিং এর আইনের মধ্যেও পরে এই ভাবে সুদের ব্যবসা করা সম্পন্ন নিষিদ্ধ এতে সর্বচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড হতে পারে আবার সর্ব নিম্ন ৪ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড হতে পারে বা আথিক জরিমানার বিধানও আছে এটা সম্পন্ন ভাবে ইসলামী ও নিষিদ্ধ এবং আইন গত ভাবে নিষিদ্ধ তবে প্রশাসনের উচিৎ এ বিষয় গুলো কে সম্পন্ন নিয়ন্ত্রণ করা এবং এগুলো না করলে অসহায় নিরিহ মানুষ গুলো একে বারে পথে বসে যাচ্ছে তাই এই সুদের ব্যবসাী পুলিশ সদস্য রুহুল আমিন কনস্টবল নম্বর ২২৪৪৬ বিপি নম্বর ৮৬০৫০৯৮৫৭৯ স্ত্রী রুনা, শালক আবু সাঈদ ভাতীজা তানভীর শশুর নজরুল সুদার সহায়তাকারী তদরীর কারক, আবুল কাশেম, ইসমাইল হোসেন বেলাল, সুদারু দের কঠর হস্তে দমন করা উচিৎ স্বর্ন বন্ধক রেখে অধিক হারে সুদ আদায়করে প্রশাসনিক ও সরকারি চাকুরি করে ও কিভাবে এই সুদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে তাহা কাহারো বোধ্যগম্য নয়। এই সুদের ব্যবসার প্রতিরোধ এর জন্য প্রশাসনিক ভাবে একটু সর্তক এবং সর্তক ভাবে দায়িত্ব পালন করলে এবং সুদের ব্যবসার সাথে জরিত পুলিশ সদস্য রুহুল আমিন সুদারু গং এদের বিরুদ্ধে কোটে ও থানায় মামলা এই সুদের টাকার জন্য পুলিশ সদস্য রুহুল আমিন গং এদে কিছুই হয় না।
এব্যাপরে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান, দূরনীতি দমন কমিশন চেয়ারম্যান মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র সচিব, মহা পুলিশ পরিদর্শক সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ সকল ইলেকট্রিক মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বিন্দু দেশের সাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন ভুক্তভোগী ও নির্যাতিত আকলিমা।
পড়ুন : রাজধানীতে প্রকাশ্যে কাভার্ডভ্যান থামিয়ে কোটি টাকা ছিনতাই, যা বললো ডিবি


