বিজ্ঞাপন

পটিয়ায় বিশ্ব হাতি দিবসে বক্তারা, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও বন উজাড় বন্ধে সচেতনতার আহ্বান

চট্টগ্রামের পটিয়ায় বিশ্ব হাতি দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার দুপুরে হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে হাতি, বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়।

হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুকান্ত তালুকদার। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের পটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা এমদাদুল হক।

সভায় বক্তারা বলেন, হাতি বন ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বন উজাড় ও আবাসস্থল সংকুচিত হওয়ার কারণে বন্যপ্রাণী নানা ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়ছে। তাই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। নির্বিচারে বন উজাড় থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি বন ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে।

তারা আরও বলেন, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে প্রবেশের ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। হাতির চলাচলের পথ ও আবাসস্থলে অপ্রয়োজনে প্রবেশ না করা, হাতিকে বিরক্ত না করা এবং বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার বিষয়ে সচেতন হতে হবে। মানুষ ও বন্যপ্রাণীর মধ্যে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

সভায় বরগুনী বিট কর্মকর্তা রহমত আলী, শ্রীমাই বিট কর্মকর্তা মো. ফয়সাল, হাইদগাঁও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য জিন্নাতুর রহমান, শিক্ষা প্রতিনিধি আব্দুল মান্নান, রেসকিউ টিমের সদস্য নাঈমুদ্দিন বিজয়, বন বিভাগের কেয়ারটেকার মো. মহিউদ্দিন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অবহিতকরণ সভা শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে হাতি ও বন সংরক্ষণে জনসচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে আশপাশের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিলের পানিতে ডুবে জেলের মৃত্যু

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন