সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কাঠামোগত সংস্কার ও মেধাভিত্তিক রাজনীতির চর্চা নিশ্চিতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফারহান আরিফ। ভোলার সন্তান ও দীর্ঘদিনের রাজপথের পরীক্ষিত এই ছাত্রনেতাকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি পদে দেখতে চাইছেন সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তাঁদের মতে, সংগঠনের ভবিষ্যৎ বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক রূপান্তরের জন্য ফারহান আরিফের মতো সৎ ও সৃজনশীল নেতৃত্বের বিকল্প নেই।
আদর্শিক লড়াই ও রাজপথের আন্দোলনে ফারহান আরিফের রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস। সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির এই যোদ্ধা বিগত দিনে একাধিকবার রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে তিনি দু’বার কারাবরণ করেছেন এবং অসংখ্য হয়রানিমূলক মামলার শিকার হয়েছেন। এছাড়া, অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সম্মুখ সমরে থেকে তিনি একাধিকবার গুলিবিদ্ধ হন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও নির্মম হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন।
সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি দলের নীতিনির্ধারণী ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসরেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। বর্তমানে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর পাশাপাশি, পার্টির বিভিন্ন কৌশলগত ও ভিত্তি-নির্মাণমূলক কাজে তিনি দলীয় হাইকমান্ডের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত এবং দলের ‘রিসার্চ সেল’-এর একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং শেখ মুজিব হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন।
ছাত্রদলের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী বৃহৎ ছাত্র সংগঠনের আগামী দিনের নেতৃত্ব নির্ধারণে মেধা ও ত্যাগের মূল্যায়ন জরুরি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ে পরীক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের অধিকারী ফারহান আরিফকে কেন্দ্রীয় স্টিয়ারিং কমিটিতে যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। এটি কেবল তৃণমূলের আবেগ বা দাবিই নয়, বরং আগামী দিনে ছাত্রদলের সুদৃঢ় সাংগঠনিক ভিত্তি ও সময়োপযোগী কাঠামোগত সংস্কারের জন্য এক অপরিহার্য পদক্ষেপ।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

