হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৬৪ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়। উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুমন মিয়া বাদি হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯—এ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) চুনারুঘাট থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এজাহারের ভিত্তিতে মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, ১৪ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে চুনারুঘাট থানাধীন মিরাশী ইউনিয়নের পূর্ব পাকুরিয়া গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক সরকারের বাড়িতে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন আসামীরা। তারা ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশের শান্তি—শৃঙ্খলা বিনষ্ট, দেশের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুন্ন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হত্যার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। এ খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে মানিক সরকারকে গ্রেফতার করে। এ সময় অন্য আসামীরা পালিয়ে যান।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক সরকার, সভাপতি আকবর হোসেন জিতু, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আলী, সহ—সভাপতি মো. রজব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদ আলী, সাইফুল ইসলাম রুবেল ও সজল দাশ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, সভাপতি রাসেল মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম রুবেল, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সম্রাট মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মতুর্জ সরদার এবং উপজেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবুল। এছাড়া উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, তাঁতী লীগ এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পড়ুন:ধামরাইয়ে চুরির অপবাদে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
ইমি/


