বিজ্ঞাপন

গাইবান্ধায় বিষ দিয়ে ১৭০ হাঁস-মুরগি মারার অভিযোগ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১৭০টি হাঁস-মুরগি মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে তিন প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। এতে প্রায় ১ লাখ ২ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের। এ ঘটনায় মোছা. কমেলা বেগম নামে এক নারী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

কমেলা বেগম উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের মো. দুখু মিয়ার স্ত্রী। অভিযুক্তরা একই গ্রামের মৃত আদা মিয়ার ছেলে মো. অছু মিয়া (৫৫), মো. আব্দুল হাই (৫২) ও আব্দুল হাইয়ের স্ত্রী মমিনা বেগম (৫০)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে কমেলা বেগম ও তার পরিবারের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় ক্ষতিসাধন, মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে খোয়াড় থেকে হাঁস-মুরগিগুলো ছেড়ে দেন পরিবারের সদস্যরা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির আশপাশে গিয়ে তারা দেখতে পান, প্রায় ১৭০টি হাঁস-মুরগি পড়ে রয়েছে। পরে সেগুলো বিষক্রিয়ায় মারা গেছে বলে দাবি করেন তারা। এতে প্রায় ১ লাখ ২ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন কমেলা।

কমেলা বেগমের অভিযোগ, বিষয়টি অভিযুক্তদের জানালে তারা হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আজ শুধু হাঁস-মুরগি বিষ দিয়ে মেরেছি, ভবিষ্যতে পরিবারের লোকজন ও ছোট শিশুদেরও বিষ প্রয়োগসহ যেকোনো উপায়ে হত্যা করা হবে।’

কমেলা বেগম বলেন, ‘হাঁস-মুরগিগুলো কীভাবে মারা গেছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা হোক। একই সঙ্গে আমাদের পরিবারকে দেওয়া হুমকির বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হোক।’

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত অছু মিয়া ও আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পলাশবাড়ীর হরিণাবাড়ী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন আলী আজ রোববার বিকালে বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেছি। এখানে বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ বিষয় রয়েছে। বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করতে বলেছি।

পড়ুন:আবারও জাপান সাগরে ১০ মিসাইল ছুড়ল উত্তর কোরিয়া

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন