বিজ্ঞাপন

সরকারের ১৮০ দিনের অব্যবস্থাপনায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে: নাহিদ

লোডশেডিং দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উল্লেখ করে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সরকারের ১৮০ দিন অপরিকল্পিত ও অব্যবস্থাপনার কারণে বেড়েছে জনদুর্ভোগ। তাদের ওপর জনআস্থা তলানিতে ঠেকেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও অবনতি হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে রাজধানীর মিন্টো রোডে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও চলমান কর্মসূচি নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

এতে সভাপতিত্ব করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি। বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

নাহিদ আরও বলেন, ১১ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে লংমার্চে অংশ নেবে আর ৭০ শতাংশ মানুষ যারা হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন, আমরা আশা করছি তারা এতে অংশ নেবেন।

নাহিদ বলেন, ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। একদিকে চাঁদাবাজি, অন্যদিকে গ্যাস-বিদ্যুৎ পাচ্ছে না মানুষ। আবার সার পাচ্ছেন না কৃষক। কিন্তু সরকার ব্যর্থতার কথা স্বীকার না করে ১৮০ দিনের সাফল্য দেখাচ্ছে, এটা প্রতারণা। ব্যর্থতার জন্য তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত।

তিনি বলেন, তাদের ওপর থেকে জনআস্থা তলানিতে ঠেকেছে। বিপ্লব পরবর্তী অবস্থার চেয়েও কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও অবনতি হয়েছে। তাদের ১৮০ দিন পুরো অব্যবস্থাপনায় ভরা, বেশির ভাগ মন্ত্রীই ব্যর্থ। তাদের কোনো পরিকল্পনা নাই। তাদের কারণে দেশবাসী ভুগছে। প্রয়োজনে বিরোধী দল সরকারকে নীতিগত সহায়তা দেবে বলেও জানান নাহিদ।

এ সময় আওয়ামী লীগকে প্রেস ব্রিফিং করতে দেয়ায় ভারত সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন এনসিপির আহ্বায়ক।

বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এ সরকার ৬ মাসে কোনো কর্মসংস্থান করতে পারেনি, নজিরবিহীনভাবে দলীয়করণ করেছে। জুলাই সনদ, গণভোট, কিংবা তাদের (বিএনপি) ৩১ দফার কোনোটাই মানছে না তারা। ফলে সংসদের বাইরে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রয়োজন আমরা বোধ করছি।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাগপার সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, এবি পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম, নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমীর মাওলানা আব্দুল কাইয়্যুম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলাম, জাগপার মহাসচিব অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মুখপাত্র মো. নাজমুল ইসলাম তালুকদার, এবি পার্টির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন রানাসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতারা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় কার্যকর করতে দেশে ফিরতে হবে তার: শিবির সভাপতি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন