বিজ্ঞাপন

ফতুল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ জন গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার শান্তিধারা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের দাবি, গ্রেফতাররা ‘মিলন-সাজিদ গ্রুপের’ সদস্য।

বিজ্ঞাপন

রোববার (২৩ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর দিকনির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাসিনুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে ডিবি ক-জোনের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শান্তিধারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতাররা হলেন—নওগাঁর আত্রাই থানার ব্রজপুর এলাকার সায়েম সরকারের ছেলে রকি সরকার ওরফে নাঈম (২৫), কিশোরগঞ্জের মিঠামইন থানার আসনপুর এলাকার সাহাবুলের ছেলে আজমান ওরফে লেম্বর (২৫) এবং কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ থানার সুতারপাড়া এলাকার সাইদুর রহমানের ছেলে রায়হান (২৩)। তারা ফতুল্লার শান্তিধারা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

ডিবি পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা গত ১৮ আগস্ট সাইনবোর্ড এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ‘মানিক গ্রুপের’ সঙ্গে প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ানোর কথা স্বীকার করেছে। এছাড়া মিলন-সাজিদ ও শান্তদের নেতৃত্বে অস্ত্রশস্ত্রসহ একত্রিত হয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়ার কথাও তারা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযানে তাদের কাছ থেকে ছয়টি রামদা, তিনটি তলোয়ার, দুটি ছুরি, একটি সুইচ গিয়ার, সাইকেলের স্পোক দিয়ে তৈরি দুটি কুড়াল এবং দুটি এসএস পাইপ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ডিবির এসআই রুবেল মিয়া বাদী হয়ে গ্রেফতার ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেছেন। মামলাটি ২৪ আগস্ট ফতুল্লা মডেল থানার মামলা নম্বর-৭৭ হিসেবে পেনাল কোডের ৩৯৯/৪০২ ধারায় রুজু করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পড়ুন:দিনাজপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন