বিজ্ঞাপন

মোংলা বন্দর ঘিরে বাড়ছে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, কাটেনি নাব্য সংকট

সাগর থেকে নদীপথ পেরিয়ে মোংলা বন্দরে আসছে একের পর এক জাহাজ। বন্দরের জেটিতে চলছে পণ্য ওঠা-নামা। জাতীয় অর্থনীতির প্রসারের পাশাপাশি, বন্দর ঘিরে সমৃদ্ধ হচ্ছে স্থানীয় অর্থনীতিও। তবে নানা সীমাবদ্ধতায় পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না সম্ভাবনার পুরোটা। নাব্য সংকটে বন্দরে ভিড়তে পারছে না বড় ড্রাফটের জাহাজ, রয়েছে জেটি স্বল্পতা। চিংড়ি রপ্তানিতে জাহাজ সংকটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পণ্য পরিবহনে দুর্ভোগও। সরু ও বেহাল সড়কের কারণে বাড়ছে সময় ও খরচ।

বিজ্ঞাপন

বন্দরের নানাবিদ সমস্য নিয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্দর থেকে কাটাখালীর যে রাস্তা, এ রাস্তা গাড়ি চলাচলের জন্য উপযোগী না। এ ছাড়া চট্টগ্রামের একটা কন্টিনেন্টারের ভাড়া ও মোংলার একটা কন্টিনেন্টটারের ভাড়া ১২শ থেকে ১৫শ টাকার পার্থক্য। এটি কেন দেব আমরা? 

বন্দরে রাজস্ব পরিশোধের ক্ষেত্রে হয়রানির অভিযোগও ব্যবসায়ীদের, যা আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন নৌপরিবহনমন্ত্রী। তিনি জানান, বন্দরকে জাতীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য সরকারের। 

নৌপরিবহনমন্ত্রী রবিউল ইসলাম বলেন, আমরা এখানে টার্মিনাল ব্যবহারের ক্ষেত্রে জেটি, কন্টেইনার যাতে প্রচুর পরিমাণে হ্যান্ডেল করা যায়, সাফিশিয়েন্ট ড্রাফটটা যাতে ঠিক থাকে—সেই ব্যবস্থা করছি। মোংলাকে কেন্দ্র করে একটা অর্থনৈতিক অঞ্চল আমাদের পরিকল্পনার অংশ জাতীয়ভাবে, আঞ্চলিক না। 

বন্দর ঘিরে তৈরি হয়েছে চীনসহ দেশিয় বিনিয়োগের সম্ভাবনা, যা কাজে লাগাতে নানা পরিকল্পনা উঠে আসে বন্দর চেয়ারম্যানের বক্তব্যে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, বর্তমান সরকার উদ্যোগ নিয়েছে মেজার মাধ্যমে সেখানে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার। আমার মনে হচ্ছে যে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সাথে সাথে যখন আমাদের কন্টেনার টার্মিনাল প্রতিষ্ঠিত হবে আমরা এই বন্দরের সুফল পাব এবং এই অঞ্চলের লোকজন সুফল পাবে। একই সাথে এখানে  কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

গত অর্থবছরে মোংলা বন্দরে বিদেশি জাহাজ এসেছে ৮১৫টি আর রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩৮৮ কোটি টাকা।

পড়ুন:দেশে ৯৫ কারখানা বন্ধ, কর্মসংস্থান হারিয়েছে ৬২ হাজার: সিপিডি

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন