উপকূলীয় এলাকায় কৃষির উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে পানি ব্যবস্থাপনা, সার ও কীটনাশকের সঠিক ব্যবহার, কৃষি উপকরণের সুষ্ঠু সরবরাহ এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা কৃষি অফিসের সভাকক্ষে কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কৃষি সেবা নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আন্তঃসংযোগ স্থাপন বিষয়ক কর্মশালায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
কর্মশালায় কৃষি মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি, খাল-নালা দখলের কারণে পানি নিষ্কাশন না হয়ে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়, স্লুইস গেট নিয়ন্ত্রণ করে সময়মতো পানি ওঠানামার সুযোগ না দেওয়া এবং কৃষিজমিতে লবণ পানি তোলাসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন কৃষক ও অংশীজনরা। পাশাপাশি কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ ছাড়া অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করা এবং জমির উর্বরতা বাড়াতে জৈব সার ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বক্তারা বলেন, উপকূলীয় এলাকার কৃষি নানা প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট সমস্যার মুখে রয়েছে। কৃষকদের উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সঠিক পানি ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি কৃষি উপকরণের সুষ্ঠু সরবরাহ ও নিরাপদ ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
কর্মশালায় কৃষক, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
‘দুর্যোগ অভিযোজনের লক্ষ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রস্তুতির প্রসার-প্রদৃপ্ত প্রকল্পের আওতায় কর্মশালাটি আয়োজন করে জাগোনারী ও এসকেএস ফাউন্ডেশন। এতে কারিগরি সহযোগিতা করে কেয়ার বাংলাদেশ।
পড়ুন : ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু
সা/


