গাইবান্ধার পুলিশ সুপারের বাসভবনের ব্যারাক থেকে হাবিবুর রহমান (নায়েক ৬০৫) নামের এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যারাকে স্ত্রীর সাথে ভিডিও কলে থেকে ওই পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা সাতটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের শহরের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নায়েক হাবিবুর রহমানের (৩৩) বাড়ি নিলফামারী জেলার সদর উপজেলার সরদার পাড়ায়। তিনি ওই এলাকার মন্টু মিয়ার ছেলে। তার ৫/৭ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে চলতি বছরের ১২ আগস্ট গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাংলোতে গার্ডে যোগদান করেন হাবিবুর রহমান। সেখান আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য দায়িত্বপালন করেন। আজ দুপুর সাড়ে ৩ টার দিকে ব্যারাকের ওয়াশ রুমের দরজা দীর্ঘ সময় বন্ধ পান অন্য সদস্যরা। পরে সন্দেহ হলে ব্যারাকের গার্ড কমান্ডার সোহেল মিয়া তাকে কয়েকবার ডাকেন। এতে সাড়া না মেলায় কয়েকজনকে সাথে নিয়ে ওয়াশরুমের দরজায় ধাক্কা দিয়ে দরজা খুললে ভিতরে প্রবেশ করে হাবিবুরকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা দেখতে পান। হাবিবুর গলায় হামছা পেছিয়ে ভবনের রডের সাথে ঝুলে ঝুলছিল, পরে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেনের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট করে পুলিশ।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, আজ বিকেল সাড়ে ৩ টা আগে/পরে ওয়াশরুমে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে নায়েক হাবিবুর রহমান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল কর হয়। মরদেহ ময়নাতদস্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এসময় এক প্রশ্নের উত্তরে এ কর্মকর্তা বলেন, পারিবারিক কলহ থেকে এই আত্মহত্যা ঘটিয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
পড়ুন : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নদীতে ঝাঁপ দেওয়া নারীকে বাঁচিয়ে পুরস্কৃত হলেন সেই পুলিশ সদস্য


