বিজ্ঞাপন

পাথর নিক্ষেপ রোধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সচেতনতামূলক সভা

বিজ্ঞাপন

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধ এবং এর ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভাতশালা রেলওয়ে স্টেশনে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকাণ্ড বন্ধে শিশু-কিশোরসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে ভাতশালা স্টেশনে তিতাস ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিও তুলে ধরা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে ‘ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়া’র উদ্যোগে ভাতশালা রেলওয়ে স্টেশনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আহ্বায়ক শেখ আরিফ বিল্লাহ আজিজীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা জাহান ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস.আই শাহ্ আলম।

সভায় বক্তব্য দেন হারিস আহমেদ, তায়েফ ভূইয়া, এইচ এম জসিম উদ্দিন, মাহফুজুর রহমান পুষ্প, নুরুল ইসলাম (আরিফ)সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা বলেন, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অমানবিক কাজ। এতে ট্রেনের যাত্রী ও চালক গুরুতর আহত হওয়ার পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, ভাতশালা রেলওয়ে স্টেশনে তিতাস ট্রেনের যাত্রাবিরতির বিষয়ে তিনি রেলওয়ের মহাপরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ অত্যন্ত অমানবিক ও বিপজ্জনক। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান বলেন, ভাতশালা রেলওয়ে স্টেশনটি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকায় সেখানে অনেকেই মাদক সেবন করে। স্টেশনটিকে মাদকমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরিতে ‘ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়া’র এ ধরনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনটির আহ্বায়ক শেখ আরিফ বিল্লাহ আজিজী বলেন, “আমাদের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবেই আজকের এই আয়োজন। চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ অত্যন্ত অমানবিক ও বিপজ্জনক একটি কাজ। এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।”

আলোচনা সভায় স্থানীয় বাসিন্দা, রেলযাত্রী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন:নেত্রকোনায় জমি নিয়ে বিরোধ: সালিশ শেষে যুবকের মৃত্যু

ইমি/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন