বিজ্ঞাপন

ময়মনসিংহে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ, ৫ মাস পর র‍্যাবের খাঁচায় অভিযুক্ত

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ। সবশেষে বিয়ের জন্য চাপ দিলে অস্বীকৃতি। ময়মনসিংহে ঘটে যাওয়া এমন চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ মামলার প্রধান পলাতক আসামি আকাশ চন্দ্র সাহাকে (৩৩) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৪)।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে র‍্যাব-১৪ এর অধিনায়কের পক্ষে মিডিয়া অফিসার (সিনিয়র সহকারী পরিচালক) প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এরআগেত, গতকাল (বুধবার) রাত সোয়া ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুর জেলার সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার এজাহার ও র‍্যাবের দেওয়া তথ্যমতে, ফেসবুকে পরিচয়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী ওই নারীর সঙ্গে আকাশ চন্দ্র সাহার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন ও নানা মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত ২৩ মার্চ রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ভুক্তভোগীর বসতঘরে প্রবেশ করে আকাশ। সেখানে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে সে। পরবর্তীতে ওই নারী বিয়ের জন্য তাগিদ দিলে আকাশ বিয়ে করতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী নিজে বাদী হয়ে গত ১ আগস্ট ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি রুজু করা হয়। মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতারে ছায়াতদন্ত শুরু করে র‍্যাব-১৪ এর গোয়েন্দা দল এবং আসামির ওপর নজরদারি বৃদ্ধি করে।

দীর্ঘ নজরদারির একপর্যায়ে র‍্যাব-১৪ (সদর কোম্পানি, ময়মনসিংহ) এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১ (সিপিসি-৩, নোয়াখালী) এর সহায়তায় লক্ষ্মীপুর সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানে ধর্ষণ মামলার প্রধান পলাতক অভিযুক্ত আকাশকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীটি।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় ইতোমধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পড়ুন:নেত্রকোনায় জমি নিয়ে বিরোধ: সালিশ শেষে যুবকের মৃত্যু

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন