ঢাকার সাভারে ম্যাজিস্ট্রেট ও সাংবাদিক পরিচয়ে একটি ওএমএস দোকানে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা।
আজ দুপুরে সাভারের চাপাইন এলাকায় অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের জন্য পরিচালিত ওএমএস ডিলার জাহাঙ্গীর এন্টারপ্রাইজে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় দোকানের মালিক জাহাঙ্গীর হোসেন বাদী হয়ে আটক তিনজনসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শরীয়তপুরের ডামুড্যা থানার মজিদ ব্যাপারীর ছেলে এফ রহমান রুপক (৪৮), বগুড়ার গাবতলী থানার মৃত সলিমুদ্দিনের ছেলে মো. মনঞ্জুরুল হক মঞ্জু (৫২) এবং বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার জাহিদুল ইসলামের ছেলে আবু বকর সিদ্দিক (৪১)। এ ঘটনায় পিন্টু শেখ (৪৭) নামে আরও একজন পালিয়ে গেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাভারের চাপাইন এলাকায় জাহাঙ্গীর এন্টারপ্রাইজে ওএমএসের চাল বিক্রি করা হয়। আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেখানে হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে ওএমএসের পণ্য বিক্রি করা হচ্ছিল। এ সময় এফ রহমান রুপক নিজেকে ম্যাজিস্ট্রেট এবং মঞ্জু, সিদ্দিক ও পিন্টু নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দোকানে প্রবেশ করেন।দোকানে পণ্য বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁরা দোকান পরিচালনাকারীদের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে দোকানের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে তিনজনকে আটক করা হয়। এ সময় অপর একজন পালিয়ে যান। জিজ্ঞেসাবাদে তিনজন স্বীকার করেন তারা ভূয়া সাংবাদিক ও ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়েছেন। পরে স্থানীয় জনতা তাদের মারধর করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বিষয়টি জানতে চাইলে সাভার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেন, ওএমএসের দোকানে চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আগামীকাল আদালতে পাঠানো হবে।
পড়ুন : দুর্গাপুরে বরযাত্রীর অপেক্ষায় কনে, বাল্যবিবাহ বন্ধ করল প্রশাসন


